হ্যাঁ, ছোট ব্যবসার জন্য EOMS BD যে অনলাইন শপ বানায় তাতে প্রোডাক্ট ক্যাটালগ, ভ্যারিয়েন্ট-ভিত্তিক স্টক ম্যানেজমেন্ট ও লো-স্টক অ্যালার্ট, অর্ডার স্ট্যাটাস, রোল পারমিশনসহ কর্মচারী অ্যাকাউন্ট, কাস্টম কোটেশন ফর্ম, পেমেন্ট ও কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন এবং রিপোর্ট থাকে। ১০০ বা তার বেশি প্রোডাক্টেও একই সিস্টেম চলে। খরচ ফিচারের ওপর নির্ভর করে, তাই প্রয়োজন বুঝে লাইন-বাই-লাইন লিখিত কোটেশন দেওয়া হয়।
- প্রতিটি সাইজ/কালারের আলাদা স্টক; অর্ডার হলে নিজে থেকে কমে
- কর্মচারীদের আলাদা লগইন, রোল অনুযায়ী অ্যাক্সেস ও অ্যাক্টিভিটি লগ
- প্যাকেজিংয়ের মতো কাস্টম পণ্যের জন্য কোটেশন ফর্ম ও অগ্রিম পেমেন্ট
- COD, bKash, Nagad, Rocket; Steadfast, Pathao, RedX
- তিন কিস্তিতে পেমেন্ট, ডোমেইন-হোস্টিং-সোর্স কোড আপনার নামে
ছোট ব্যবসার অনলাইন শপে কী কী থাকে
EOMS BD-এর বানানো অনলাইন শপে প্রোডাক্ট ক্যাটালগ, স্টক ম্যানেজমেন্ট, অর্ডার, পেমেন্ট, কুরিয়ার, কর্মচারী অ্যাকাউন্ট আর রিপোর্ট — সব এক অ্যাডমিন প্যানেল থেকে চলে। অর্থাৎ শুধু সুন্দর একটি ওয়েবসাইট নয়, পুরো দোকানটা চালানোর একটি সিস্টেম পান।
অনেক ছোট ব্যবসা Facebook পেজ, খাতা আর Excel মিলিয়ে চলে। প্রোডাক্ট ১০০ ছাড়ালে বা দুই-তিনজন কর্মচারী যোগ হলে কোন পণ্য কতটা আছে, কে কোন অর্ডার কনফার্ম করল, কোন পার্সেল কোথায় আছে — এসব হিসাব রাখা কঠিন হয়ে যায়। নিচের টেবিলে দেখুন কোন অংশ কোন সমস্যার সমাধান করে।
| অংশ | কী থাকে | আপনার লাভ |
|---|---|---|
| প্রোডাক্ট ক্যাটালগ | ক্যাটাগরি, সার্চ, ছবি, ভ্যারিয়েন্ট (সাইজ/কালার), দাম | কাস্টমার নিজেই পণ্য খুঁজে অর্ডার করতে পারেন |
| স্টক ম্যানেজমেন্ট | প্রতিটি পণ্য ও ভ্যারিয়েন্টের স্টক, লো-স্টক অ্যালার্ট | স্টক শেষ হওয়া পণ্যে আর অর্ডার আসে না |
| অর্ডার ম্যানেজমেন্ট | অর্ডার লিস্ট, স্ট্যাটাস, ইনভয়েস, নোট | প্রতিটি অর্ডার কোন অবস্থায় আছে এক নজরে দেখা যায় |
| কর্মচারী অ্যাকাউন্ট | রোল অনুযায়ী পারমিশন, অ্যাক্টিভিটি লগ | কে কী করল তার রেকর্ড থাকে |
| কাস্টম কোটেশন ফর্ম | সাইজ, পরিমাণ, প্রিন্ট ইত্যাদি অনুযায়ী কোটেশন চাওয়ার ফর্ম | অর্ডার-ভিত্তিক পণ্যও অনলাইনে বিক্রি করা যায় |
| পেমেন্ট ও কুরিয়ার | COD, bKash, Nagad, Rocket; Steadfast, Pathao, RedX | টাকা নেওয়া ও পার্সেল বুকিং অ্যাডমিন থেকেই |
| রিপোর্ট | বিক্রি, অর্ডার, কাস্টমার, লাভ-ক্ষতি | অনুমানে নয়, তথ্য দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় |
প্রযুক্তি হিসেবে ব্যাকএন্ডে Laravel (REST API), ফ্রন্টএন্ডে Next.js/React, ডাটাবেস MySQL এবং দ্রুত গতির জন্য Redis ব্যবহার করা হয়। এটি WordPress বা WooCommerce নয়, কাস্টম সিস্টেম — তাই থিম বা প্লাগইনের লাইসেন্স খরচ নেই। কোন ফিচার আপনার এখনই দরকার আর কোনটা পরে, তা ঠিক করতে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের চেকলিস্ট দেখে নিতে পারেন।
১০০+ প্রোডাক্টের স্টক কীভাবে ম্যানেজ হয়
প্রতিটি পণ্য — আর সাইজ/কালার থাকলে প্রতিটি ভ্যারিয়েন্ট — এর আলাদা স্টক থাকে, অর্ডার হলে স্টক নিজে থেকে কমে, আর নির্দিষ্ট সংখ্যার নিচে নামলে অ্যালার্ট আসে। ১০০, ৫০০ বা তার বেশি প্রোডাক্ট হলেও একই নিয়মে চলে।
- ভ্যারিয়েন্ট-ভিত্তিক স্টক: একটি শার্টের M সাইজ শেষ কিন্তু L আছে — ওয়েবসাইট ঠিক সেটাই দেখাবে।
- অটো স্টক আপডেট: অর্ডার কনফার্ম হলে স্টক কমে; বাতিল বা রিটার্ন হলে নিয়ম অনুযায়ী আবার যোগ হয়।
- লো-স্টক অ্যালার্ট: প্রতিটি পণ্যের জন্য সীমা ঠিক করে দেওয়া যায়, তার নিচে নামলে অ্যাডমিনে সতর্কবার্তা দেখায়।
- স্টক ইন: নতুন মাল এলে অ্যাডমিন থেকে স্টক যোগ করা হয়, ফলে কবে কত এসেছে তার রেকর্ড থাকে।
- আউট অফ স্টক নিয়ন্ত্রণ: স্টক শূন্য হলে পণ্যটি "স্টকে নেই" দেখাবে বা অর্ডার বন্ধ থাকবে — যেভাবে চান।
- বাল্ক আপলোড: অনেক প্রোডাক্ট একসাথে তোলার প্রয়োজন থাকলে তা স্কোপে জানালে সেভাবে ব্যবস্থা রাখা হয়।
অনলাইন আর দোকান — দুই জায়গাতেই বিক্রি করলে একই স্টক থেকে দুই দিকের বিক্রি কমানো জরুরি, নইলে একই পণ্য দুবার বিক্রি হয়ে যায়। এ ধরনের প্রয়োজন থাকলে শুরুতেই জানান; হিসাব সফটওয়্যার বা POS-এর সাথে যুক্ত করার বিষয়টি ই-কমার্স ও অ্যাকাউন্টিং একসাথে পেজে বিস্তারিত আছে।
অর্ডার ও অর্ডার স্ট্যাটাস
প্রতিটি অর্ডার একটি নির্দিষ্ট স্ট্যাটাস দিয়ে চলে — নতুন, কনফার্মড, প্যাকিং, শিপড, ডেলিভারড, বাতিল বা রিটার্ন — তাই কোন অর্ডার কোথায় আটকে আছে তা সহজে বোঝা যায়।
- নতুন অর্ডার: কাস্টমার চেকআউট করলে অর্ডার অ্যাডমিনে আসে; চাইলে WhatsApp-এ অর্ডার নোটিফিকেশনও পাবেন।
- কনফার্মেশন: কর্মচারী কাস্টমারকে ফোন বা মেসেজ দিয়ে অর্ডার নিশ্চিত করেন এবং স্ট্যাটাস বদলান।
- প্যাকিং ও কুরিয়ার বুকিং: কনফার্মড অর্ডার থেকে সরাসরি কুরিয়ারে পার্সেল বুক হয়, ইনভয়েস প্রিন্ট করা যায়।
- ডেলিভারি: কনসাইনমেন্ট আইডি অর্ডারের সাথে থাকে, ডেলিভারি হলে স্ট্যাটাস আপডেট হয়।
- রিটার্ন বা বাতিল: কারণসহ রেকর্ড থাকে, যাতে কোন পণ্য বা এলাকায় বেশি সমস্যা হচ্ছে তা পরে দেখা যায়।
কাস্টমার অ্যাকাউন্ট থাকলে ক্রেতা নিজের আগের অর্ডার ও তার অবস্থা দেখতে পারেন, ফলে "আমার পার্সেল কোথায়" ধরনের কল কমে।
কর্মচারী অ্যাকাউন্ট ও রোল পারমিশন
প্রত্যেক কর্মচারী আলাদা লগইন পান এবং তার কাজ অনুযায়ী শুধু নির্দিষ্ট অংশ দেখতে ও বদলাতে পারেন। মালিক হিসেবে আপনি সব দেখতে পারবেন, আর অ্যাক্টিভিটি লগে কে কখন কী করেছে তার রেকর্ড থাকবে।
| রোল (উদাহরণ) | কী করতে পারবেন | কী পারবেন না |
|---|---|---|
| মালিক / অ্যাডমিন | সব কিছু: সেটিংস, রিপোর্ট, কর্মচারী যোগ-বাদ | — |
| অর্ডার ম্যানেজার | অর্ডার দেখা, কনফার্ম, কুরিয়ার বুকিং | দাম বা লাভ-ক্ষতির রিপোর্ট দেখা |
| স্টক / প্রোডাক্ট ম্যানেজার | প্রোডাক্ট যোগ, ছবি, স্টক আপডেট | পেমেন্ট সেটিংস বদলানো |
| কাস্টমার সাপোর্ট | অর্ডারের অবস্থা দেখা, নোট লেখা | অর্ডার মুছে ফেলা বা দাম বদলানো |
রোলগুলো আপনার ব্যবসার কাঠামো অনুযায়ী সাজানো হয় — উপরেরটি শুধু উদাহরণ। কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দিলে তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলেই হয়, পাসওয়ার্ড বদলানোর ঝামেলা থাকে না।
কতজন কর্মচারী আর কে কোন কাজ করেন, তার একটি তালিকা কোটেশন চাওয়ার সময়ই দিন। এতে রোল ও পারমিশন প্রথম দিন থেকেই ঠিকভাবে সেট করা যায়।
কাস্টম কোটেশন ফর্ম ও অগ্রিম পেমেন্ট
যেসব পণ্যের দাম অর্ডারের মাপ বা পরিমাণের ওপর নির্ভর করে, সেগুলোর জন্য ওয়েবসাইটে কাস্টম কোটেশন ফর্ম বা কোট-ক্যালকুলেটর রাখা যায়। কাস্টমার তথ্য দেন, আপনি কোটেশন পাঠান, আর কাস্টম অর্ডারে অগ্রিম পেমেন্ট নেওয়া যায়।
উদাহরণ হিসেবে প্যাকেজিং বা কার্টন ব্যবসা ধরুন। কাস্টমার ফর্মে বেছে নেন:
- সাইজ (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা)
- প্লাই বা উপাদানের ধরন
- প্রিন্ট আছে কি না, কয় রঙের প্রিন্ট
- পরিমাণ
আপনার নিয়ম অনুযায়ী ক্যালকুলেটর আনুমানিক দাম দেখাতে পারে, অথবা ফর্মটি শুধু অনুরোধ হিসেবে অ্যাডমিনে আসতে পারে এবং আপনি যাচাই করে কোটেশন পাঠাবেন। কাস্টমার রাজি হলে অগ্রিম অংশ অনলাইনে পরিশোধ করে অর্ডার নিশ্চিত করেন। প্রিন্টিং, গার্মেন্টস অর্ডার, ফার্নিচার, গিফট আইটেম — যেকোনো কাস্টম পণ্যে একই পদ্ধতি কাজে লাগে।
পেমেন্ট ও কুরিয়ার
ক্যাশ অন ডেলিভারি, bKash, Nagad ও Rocket পেমেন্ট এবং ঐচ্ছিকভাবে SSLCommerz-এর মাধ্যমে কার্ড পেমেন্ট নেওয়া যায়; কুরিয়ারের জন্য Steadfast, Pathao ও RedX ইন্টিগ্রেশন করা যায়।
- bKash, Nagad বা Rocket অনলাইন পেমেন্টের জন্য আপনার নিজের মার্চেন্ট অনুমোদন লাগে; টাকা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে যায়।
- অনুমোদন আসার আগে শুধু COD দিয়েই বিক্রি শুরু করা যায়।
- প্রতিটি লেনদেনে পেমেন্ট প্রোভাইডার ও কুরিয়ারের নিজস্ব চার্জ তাদেরকেই দিতে হয় — এটি EOMS BD-এর চার্জ নয়।
- কুরিয়ার বুকিং অ্যাডমিন থেকেই হয়, ঠিকানা আবার টাইপ করতে হয় না।
একাধিক কুরিয়ার সংযুক্ত থাকলে প্রতিটি অর্ডারের জন্য এলাকা বা সুবিধা অনুযায়ী কোন কুরিয়ারে পাঠাবেন তা আপনি বেছে নিতে পারেন; প্রতিটির জন্য আপনার নিজের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগবে। কাস্টম অর্ডারে অগ্রিম অংশ অনলাইনে আর বাকিটা ডেলিভারির সময় নেওয়ার মতো মিশ্র পদ্ধতিও রাখা যায় — অর্ডারে কত পরিশোধ হয়েছে আর কত বাকি, তা আলাদা দেখা যায়। প্রযুক্তিগত বিস্তারিত জানতে পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেশন গাইড দেখুন।
রিপোর্ট: বিক্রি, অর্ডার, কাস্টমার ও লাভ-ক্ষতি
অ্যাডমিন প্যানেলে বিক্রি, অর্ডার, কাস্টমার ও লাভ-ক্ষতির রিপোর্ট থাকে, তাই মাস শেষে খাতা মিলিয়ে বসে থাকতে হয় না।
- বিক্রির রিপোর্ট: দিন, সপ্তাহ বা মাস অনুযায়ী মোট বিক্রি ও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পণ্য।
- অর্ডার রিপোর্ট: কতগুলো কনফার্মড, ডেলিভারড, বাতিল বা রিটার্ন হলো।
- কাস্টমার রিপোর্ট: কারা বারবার কিনছেন, কারা অনেক দিন কেনেননি।
- লাভ-ক্ষতি: পণ্যের ক্রয়মূল্য দেওয়া থাকলে বিক্রি থেকে আনুমানিক লাভ দেখা যায়।
পূর্ণাঙ্গ হিসাব — লেজার, ভাউচার, সাপ্লায়ারের বকেয়া ইত্যাদি — দরকার হলে ওয়েবসাইটের সাথে হিসাব সফটওয়্যার যুক্ত করা যায়।
খরচ, সময় ও মালিকানা — লিখিত কোটেশনে যা থাকে
খরচ নির্ভর করে কোন কোন ফিচার লাগবে, কতগুলো কাস্টম ফর্ম বা রিপোর্ট, কয়টি পেমেন্ট ও কুরিয়ার সংযোগ এবং কোনো বিশেষ নিয়ম আছে কি না তার ওপর। প্রয়োজন বোঝার পর লাইন-বাই-লাইন লিখিত কোটেশন দেওয়া হয়, যেখানে প্রথম বছরের খরচ আর পরের প্রতি বছরের খরচ আলাদা করে লেখা থাকে — কোনো লুকানো চার্জ নেই।
- পেমেন্ট: তিন কিস্তিতে — অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে। প্রতিটি ধাপে ডেমো লিংকে কাজ দেখে তারপর পরের কিস্তি। বিস্তারিত: কিস্তিতে ওয়েবসাইট।
- সময়: অগ্রিম ও কনটেন্ট (প্রোডাক্টের তথ্য, ছবি, লোগো) পাওয়ার পর একটি পূর্ণ স্টোর সাধারণত ২৫–৩০ দিনে তৈরি হয়; স্কোপ ও অনুমোদনের গতির ওপর এটি কমবেশি হতে পারে।
- ডোমেইন ও হোস্টিং: আপনার নামে ও আপনার অ্যাকাউন্টে কেনা হয়; পরের বছরের রিনিউয়াল সরাসরি প্রোভাইডারকে দেওয়া হয়।
- সাপোর্ট: লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট, ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স, লাইফটাইম ফ্রি SSL ও প্রতিদিনের ব্যাকআপ। নতুন ফিচার লাগলে কাজের আগে দাম ঠিক করা হয়।
EOMS BD ১৫ বছর ধরে ই-কমার্স নিয়ে কাজ করছে এবং বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চলছে। লঞ্চের সময় সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল, সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল আপনাকে হস্তান্তর করা হয়; Search Console, Analytics ও Meta Pixel আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে সেট করা হয় — সব লিখিতভাবে। নিচের ভিডিওতে আমাদের কাজ দেখতে পারেন, আর কোটেশনের জন্য WhatsApp করুন +880 1784-222255 নম্বরে।
আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
১০০টির বেশি প্রোডাক্ট হলে কি সমস্যা হবে?
না। স্টক সিস্টেম প্রতিটি পণ্য ও ভ্যারিয়েন্ট আলাদাভাবে হিসাব করে, তাই ১০০ বা কয়েকশো প্রোডাক্টেও একইভাবে চলে। অনেক প্রোডাক্ট একসাথে তোলার দরকার হলে শুরুতে জানালে বাল্ক আপলোডের ব্যবস্থা স্কোপে রাখা হয়।
কয়জন কর্মচারীর অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে?
কর্মচারী অ্যাকাউন্ট অ্যাডমিন থেকেই যোগ বা বন্ধ করা যায়। প্রত্যেকের রোল ঠিক করে দেওয়া যায় এবং অ্যাক্টিভিটি লগে কে কী করেছে তা দেখা যায়। আপনার দলের কাঠামো জানালে রোলগুলো সেভাবে সাজানো হয়।
প্যাকেজিংয়ের মতো কাস্টম পণ্যের কোটেশন কি ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া যাবে?
হ্যাঁ। সাইজ, প্লাই, প্রিন্ট ও পরিমাণের মতো তথ্য নিয়ে কোটেশন ফর্ম বা কোট-ক্যালকুলেটর বানানো যায়। কাস্টমার রাজি হলে কাস্টম অর্ডারে অনলাইনে অগ্রিম পেমেন্ট নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা যায়।
খরচ কত হবে?
খরচ নির্ভর করে কোন ফিচার, কতগুলো কাস্টম ফর্ম, রিপোর্ট ও ইন্টিগ্রেশন লাগবে তার ওপর। প্রয়োজন বোঝার পর লাইন-বাই-লাইন লিখিত কোটেশন দেওয়া হয়, যেখানে প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর খরচ আলাদা লেখা থাকে এবং কোনো লুকানো চার্জ থাকে না।
কত দিনে ওয়েবসাইট তৈরি হবে?
অগ্রিম ও প্রয়োজনীয় কনটেন্ট পাওয়ার পর একটি পূর্ণ স্টোর সাধারণত ২৫–৩০ দিনে তৈরি হয়। স্কোপ বড় হলে বা অনুমোদন ও কনটেন্ট দেরিতে এলে সময় বাড়তে পারে।
অ্যাডমিন প্যানেল ও সোর্স কোড কি আমার থাকবে?
হ্যাঁ। লঞ্চের সময় সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল, সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল হস্তান্তর করা হয়। ডোমেইন আপনার নামে এবং হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে থাকে, যা কোটেশন ও চুক্তিতে লেখা থাকে।
লঞ্চের পরে কোনো সমস্যা হলে কী হবে?
লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স থাকে, অর্থাৎ বিদ্যমান কোনো ফিচারে সমস্যা হলে বিনা খরচে ঠিক করা হয়। নতুন ফিচার লাগলে কাজের আগে দাম জানিয়ে সম্মতি নেওয়া হয়।