Home›পণ্য সোর্সিং›অনলাইনে পণ্য বিক্রি করবেন কীভাবে — শুরু থেকে প্রথম অর্ডার
শুরু করার গাইড

অনলাইনে পণ্য বিক্রি করবেন কীভাবে — শুরু থেকে প্রথম অর্ডার

পণ্য বাছাই থেকে প্রথম অর্ডার ডেলিভারি পর্যন্ত — বাংলাদেশে অনলাইনে পণ্য বিক্রির সাতটি ধাপ সহজ ভাষায়, যাতে শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি এড়াতে পারেন।

১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা ১৩ বছর সৌদি আরবে Head of IT USA, UK ও মালয়েশিয়ার ক্লায়েন্ট বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট
আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ লিখেছে: EOMS BD টিম পড়তে ~7 মিনিট
সংক্ষেপে উত্তর

অনলাইনে পণ্য বিক্রি শুরু করতে প্রথমে চাহিদা আছে এমন পণ্য ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার বাছাই করুন, তারপর সব খরচ যোগ করে দাম ঠিক করুন। Facebook পেজ দিয়ে শুরু করে bKash, Nagad, ক্যাশ অন ডেলিভারি ও কুরিয়ার ঠিক করুন, প্রতিটি অর্ডার ফোনে কনফার্ম করুন, আর অর্ডার নিয়মিত হলে নিজের ওয়েবসাইটে যান।

  • শুরুতে অল্প পরিমাণে কিনুন বা ড্রপশিপিংয়ে পরীক্ষা করুন।
  • দামে পণ্য, প্যাকেজিং, কুরিয়ার, COD চার্জ, বিজ্ঞাপন ও রিটার্ন খরচ ধরুন।
  • Steadfast, Pathao, RedX-এর মতো কুরিয়ার COD টাকা সংগ্রহ করে দেয়।
  • প্রথম অর্ডার থেকেই কনফার্মেশন কল চালু করুন।
  • EOMS BD সাপ্লায়ারের সাথে ফ্রি যোগাযোগ করিয়ে দেয়; ওয়েবসাইট ঐচ্ছিক।

অনলাইনে পণ্য বিক্রির পুরো পথ — এক নজরে

অনলাইনে পণ্য বিক্রি শুরু করতে বড় পুঁজি বা অফিস লাগে না; লাগে সঠিক পণ্য, নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার, সঠিক দাম আর অর্ডার সামলানোর একটি পরিষ্কার নিয়ম। নিচের সাতটি ধাপ ক্রমানুসারে অনুসরণ করলে প্রথম অর্ডার পর্যন্ত পৌঁছানো সহজ হয়।

  1. পণ্য ও সাপ্লায়ার বাছাই: কী বিক্রি করবেন এবং কার কাছ থেকে আনবেন।
  2. দাম নির্ধারণ: সব খরচ যোগ করে লাভসহ বিক্রয়মূল্য ঠিক করা।
  3. বিক্রির চ্যানেল: Facebook পেজ, মার্কেটপ্লেস না নিজের ওয়েবসাইট।
  4. পেমেন্ট ও কুরিয়ার: টাকা কীভাবে নেবেন, পণ্য কীভাবে পৌঁছাবে।
  5. অর্ডার কনফার্মেশন: ভুয়া অর্ডার ও রিটার্ন কমানো।
  6. মার্কেটিং: কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতা আনা।
  7. বড় হওয়া: নিজের ওয়েবসাইট ও সিস্টেম দিয়ে ব্যবসা গোছানো।

প্রতিটি ধাপে তাড়াহুড়া না করে ছোট পরিসরে পরীক্ষা করুন, তারপর যা কাজ করে সেটি বাড়ান।

শুরুর আগে যা ঠিক করে নিন

  • পুঁজি: পণ্য কেনা, প্যাকেজিং ও প্রথম কয়েক সপ্তাহের বিজ্ঞাপনের জন্য কত টাকা আলাদা রাখতে পারবেন।
  • সময়: দিনের কোন সময়ে মেসেজের উত্তর, কনফার্মেশন কল আর প্যাকিং করবেন।
  • পেজ বা দোকানের নাম: সহজে মনে রাখা যায় এমন নাম, যা পরে ওয়েবসাইটের ডোমেইন হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
  • হিসাবের খাতা: প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি কেনা, বিক্রি ও খরচ একটি শিটে লিখে রাখার অভ্যাস।
  • নীতি: ডেলিভারি চার্জ, রিটার্ন ও বদলের নিয়ম কী হবে — আগে থেকেই লিখে রাখুন।

ধাপ ১: পণ্য ও সাপ্লায়ার বাছাই

সফল অনলাইন ব্যবসার শুরু হয় এমন পণ্য দিয়ে, যার চাহিদা আছে, যা কুরিয়ারে সহজে পাঠানো যায় এবং যাতে যুক্তিসঙ্গত লাভ থাকে। তারপর দরকার এমন সাপ্লায়ার, যিনি নিয়মিত একই মানের মাল দিতে পারেন।

  • চাহিদা যাচাই: Facebook গ্রুপ, মার্কেটপ্লেস ও পরিচিতদের মধ্যে দেখুন মানুষ কী খুঁজছে এবং কী নিয়ে অভিযোগ করছে।
  • ডেলিভারি সহজ কি না: ভঙ্গুর, খুব ভারী বা খুব বড় পণ্যে কুরিয়ার খরচ ও ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।
  • আইনগত দিক: নকল ব্র্যান্ড, চোরাই পথে আসা বা অনুমোদন ছাড়া পণ্য বেছে নেবেন না।
  • রিটার্নের ঝুঁকি: সাইজ বা রঙের কারণে বেশি ফেরত আসে এমন পণ্যে শুরুতে সাবধান থাকুন।

সাপ্লায়ার পাওয়ার তিনটি সাধারণ পথ আছে: স্থানীয় পাইকারি বাজার, সরাসরি কারখানা বা ইমপোর্টার, এবং নিজে ইমপোর্ট। শুরুতে অল্প পরিমাণে (short quantity) কিনে পরীক্ষা করা নিরাপদ। স্টক রাখতে না চাইলে ড্রপশিপিং মডেলে সাপ্লায়ার সরাসরি আপনার ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠাতে পারে। কোন পথে কীভাবে সাপ্লায়ার যাচাই করবেন, তার বিস্তারিত পাবেন পাইকারি পণ্য সোর্সিং গাইডে।

ধাপ ২: দাম নির্ধারণ — শুধু কেনা দাম নয়, সব খরচ

অনেক নতুন সেলার কেনা দামের সাথে একটি অঙ্ক যোগ করে বিক্রয়মূল্য ঠিক করেন, তারপর মাস শেষে দেখেন লাভ নেই। সঠিক দাম বের করতে প্রতিটি অর্ডারের সব খরচ যোগ করতে হয়।

খরচের ধরনকী অন্তর্ভুক্ত
পণ্যের দামসাপ্লায়ারকে দেওয়া দাম ও আনার খরচ
প্যাকেজিংপলিব্যাগ, বক্স, টেপ, স্টিকার
ডেলিভারিকুরিয়ার চার্জ, যার কতটা ক্রেতা দেবেন আর কতটা আপনি
COD চার্জক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সংগ্রহের জন্য কুরিয়ারের চার্জ
বিজ্ঞাপনএকটি অর্ডার পেতে গড়ে কত টাকার বিজ্ঞাপন লাগছে
রিটার্ন ক্ষতিফেরত আসা অর্ডারের যাওয়া-আসার খরচ
পেমেন্ট চার্জbKash, Nagad বা গেটওয়ের লেনদেন চার্জ

এসব খরচ মিলিয়ে প্রতি অর্ডারে আসল লাভ কত, তা হিসাব করতে আমাদের ই-কমার্স প্রফিট ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন। বাজারের দামের সাথেও তুলনা করুন, তবে শুধু সবচেয়ে কম দাম দিয়ে প্রতিযোগিতা করার চেয়ে ভালো ছবি, দ্রুত উত্তর ও নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি দিয়ে আলাদা হওয়া বেশি টেকসই।

ধাপ ৩: কোথায় বিক্রি করবেন — Facebook, মার্কেটপ্লেস না ওয়েবসাইট

বাংলাদেশে বেশিরভাগ নতুন সেলার Facebook পেজ দিয়ে শুরু করেন, কারণ এটি দ্রুত ও সহজ। তবে প্রতিটি চ্যানেলের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা আলাদা, আর ব্যবসা বড় হলে সাধারণত একাধিক চ্যানেল একসাথে চলে।

চ্যানেলসুবিধাসীমাবদ্ধতা
Facebook পেজ ও গ্রুপদ্রুত শুরু, সরাসরি ক্রেতার সাথে কথাঅর্ডার ইনবক্সে হারিয়ে যায়, হিসাব রাখা কঠিন, পেজ বা অ্যাকাউন্টের ঝুঁকি
মার্কেটপ্লেস (যেমন Daraz)প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব ক্রেতা আছেকমিশন ও নিয়ম প্ল্যাটফর্মের, ক্রেতার তথ্য আপনার কাছে কম থাকে
নিজের ওয়েবসাইটনিজের ব্র্যান্ড, অর্ডার ও স্টক এক জায়গায়, ক্রেতার তথ্য আপনারশুরুতে খরচ আছে, ট্রাফিক নিজেকে আনতে হয়

সাধারণ পরামর্শ হলো: Facebook দিয়ে শুরু করে পণ্যের চাহিদা যাচাই করুন, আর অর্ডার নিয়মিত হয়ে গেলে নিজের ওয়েবসাইটে যান, যাতে সব অর্ডার, পেমেন্ট ও কুরিয়ার এক সিস্টেমে চলে।

ধাপ ৪: পেমেন্ট ও কুরিয়ার ঠিক করা

বাংলাদেশে অনেক অনলাইন অর্ডার এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারিতে (COD) হয়, পাশাপাশি bKash ও Nagad-এ অগ্রিম পেমেন্টও প্রচলিত। কুরিয়ারের ক্ষেত্রে Steadfast, Pathao, RedX-এর মতো সার্ভিস সারা দেশে ডেলিভারি ও COD টাকা সংগ্রহ করে দেয়।

  • পেমেন্ট অপশন: COD রাখুন, তবে bKash বা Nagad-এ অগ্রিম দিলে ক্রেতাকে ছোট সুবিধা দিতে পারেন। কার্ড পেমেন্ট চাইলে SSLCommerz-এর মতো গেটওয়ে লাগে।
  • কুরিয়ার বাছাই: আপনার এলাকায় পিকআপ, ডেলিভারির এলাকা, চার্জ, COD টাকা কত দিনে আপনার হাতে আসে এবং রিটার্নের নিয়ম তুলনা করুন।
  • একাধিক কুরিয়ার: একটির ওপর পুরো নির্ভর না করে বিকল্প রাখুন।
  • প্যাকেজিং: পণ্যের ধরন অনুযায়ী মজবুত প্যাকিং করুন এবং লেবেলে ক্রেতার নাম, ফোন ও ঠিকানা স্পষ্ট লিখুন।

নিজের ওয়েবসাইটে bKash, Nagad, COD এবং Steadfast, Pathao, RedX একসাথে যুক্ত থাকলে অর্ডার থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত কাজ অনেক দ্রুত হয় — এমন রেডি সেটআপ কেমন হয় তা দেখুন bKash, Nagad ও কুরিয়ারসহ ই-কমার্স ওয়েবসাইট পেজে।

ধাপ ৫: অর্ডার কনফার্মেশন — প্রথম অর্ডার থেকেই নিয়ম

ভুয়া বা অনিশ্চিত অর্ডার বাংলাদেশের অনলাইন ব্যবসার বড় সমস্যা, আর প্রতিটি ফেরত আসা পার্সেলে আপনার কুরিয়ার খরচ নষ্ট হয়। তাই প্রথম অর্ডার থেকেই কনফার্মেশনের নিয়ম চালু করুন।

  1. অর্ডার পেলেই ক্রেতাকে ফোন বা মেসেজ দিয়ে পণ্য, সাইজ, দাম ও ঠিকানা নিশ্চিত করুন।
  2. নতুন ক্রেতা বা দূরের ঠিকানার ক্ষেত্রে অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ নেওয়ার কথা ভাবুন।
  3. কনফার্ম হওয়ার পর পার্সেল বুক করে ক্রেতাকে ট্র্যাকিং তথ্য দিন।
  4. ডেলিভারির পর ছোট একটি ধন্যবাদ মেসেজ পাঠান এবং মতামত জানতে চান।
  5. কোন ঠিকানা বা নম্বর থেকে বারবার অর্ডার ফেরত আসছে, তার তালিকা রাখুন।

কনফার্মেশন প্রক্রিয়া কীভাবে সাজাবেন এবং কোন টুল কাজে লাগে, তা বিস্তারিত পাবেন অর্ডার কনফার্মেশন গাইডে।

ধাপ ৬: মার্কেটিংয়ের মূল বিষয়

অনলাইনে ক্রেতা আনার প্রথম হাতিয়ার হলো ভালো কনটেন্ট — পরিষ্কার ছবি, ছোট ভিডিও আর সৎ বিবরণ; বিজ্ঞাপন সেই কনটেন্টকে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় মাত্র। দুর্বল কনটেন্টে টাকা খরচ করলে বিজ্ঞাপনও কাজ করে না।

  • নিজের তোলা আসল ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করুন; অন্যের ছবি কপি করবেন না।
  • পণ্যের মাপ, ম্যাটেরিয়াল, রং, দাম ও ডেলিভারি চার্জ পরিষ্কার লিখুন।
  • মেসেজের দ্রুত উত্তর দিন; দেরিতে উত্তর দিলে ক্রেতা অন্য পেজে চলে যায়।
  • ছোট বাজেটে বিজ্ঞাপন শুরু করে দেখুন কোন পোস্টে অর্ডার আসে, তারপর সেটিতে বাজেট বাড়ান।
  • ক্রেতার সত্যিকারের মতামত (তার অনুমতি নিয়ে) শেয়ার করুন; বানানো রিভিউ দেবেন না।

Facebook-এ পেজ সাজানো, কনটেন্ট পরিকল্পনা ও বিজ্ঞাপনের বিস্তারিত পাবেন ই-কমার্সের জন্য Facebook মার্কেটিং গাইডে।

ধাপ ৭: নিজের ওয়েবসাইট দিয়ে ব্যবসা বড় করা

দিনে কয়েকটি অর্ডার ইনবক্সে সামলানো যায়, কিন্তু অর্ডার বাড়লে হিসাব, স্টক, কুরিয়ার বুকিং আর ক্রেতার তথ্য হাতে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তখন নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট ব্যবসাকে গুছিয়ে দেয়।

  • ক্রেতা নিজেই পণ্য দেখে অর্ডার করেন, আপনাকে প্রতিটি দাম ইনবক্সে বলতে হয় না।
  • অর্ডার, স্টক, পেমেন্ট ও কুরিয়ার এক অ্যাডমিন প্যানেলে থাকে।
  • Facebook পেজে সমস্যা হলেও আপনার ক্রেতার তালিকা ও বিক্রির পথ নিজের কাছে থাকে।
  • Google থেকে ক্রেতা আসার সুযোগ তৈরি হয়।

শুরুতে যে ভুলগুলো এড়াবেন

  • চাহিদা যাচাই না করে একবারে বড় পরিমাণ মাল কিনে ফেলা।
  • কুরিয়ার, COD চার্জ ও রিটার্নের খরচ বাদ দিয়ে দাম ঠিক করা।
  • অর্ডার কনফার্ম না করেই পার্সেল পাঠানো।
  • হিসাব না রাখা, ফলে কোন পণ্যে আসলে লাভ হচ্ছে বোঝা না যাওয়া।
  • অর্ডার নিয়মিত হওয়ার আগেই বড় বাজেটের বিজ্ঞাপন বা দামি সিস্টেমে খরচ করা।

EOMS BD আমাদের সোর্সিং গাইডের প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সরাসরি সাপ্লায়ার ও ইমপোর্টারের সাথে আপনাকে ফ্রি যোগাযোগ করিয়ে দেয় — অল্প পরিমাণে কেনা এবং ড্রপশিপিং (সাপ্লায়ার নিজেই ক্রেতার কাছে পাঠায়) দুটোই সম্ভব। আমরা নিজেরা পণ্য বিক্রি করি না, সাপ্লায়ারের দামও ঠিক করি না। চাইলে অনলাইন শপ ওয়েবসাইটও বানিয়ে দিই: ১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে EOMS BD-র অধীনে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চলছে। ডোমেইন ও হোস্টিং আপনার নিজের নামে, লঞ্চের সময় পুরো সোর্স কোড ও ডাটাবেস হস্তান্তর। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1784-222255।

ওয়েবসাইট প্যাকেজে কী কী থাকে, খরচ কত এবং মালিকানার শর্ত কী — একটি সাম্প্রতিক বাস্তব কোটেশনসহ দেখুন সোর্স কোডসহ ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্যাকেজ পেজে। ওয়েবসাইট বানানো বাধ্যতামূলক নয়; আগে পণ্য ও বিক্রি দাঁড় করান, তারপর প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নিন।

আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

অনলাইনে পণ্য বিক্রি শুরু করতে কী কী লাগে?

একটি পণ্য ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার, একটি বিক্রির চ্যানেল (যেমন Facebook পেজ), পেমেন্ট নেওয়ার উপায় (bKash, Nagad বা ক্যাশ অন ডেলিভারি) এবং একটি কুরিয়ার সার্ভিস। শুরুতে নিজের ওয়েবসাইট বাধ্যতামূলক নয়।

স্টক ছাড়া কি অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা যায়?

হ্যাঁ, ড্রপশিপিং মডেলে আপনি অর্ডার নেন আর সাপ্লায়ার সরাসরি আপনার ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠায়। তবে পণ্যের মান, ডেলিভারির সময় ও রিটার্নের দায় ক্রেতার কাছে আপনার নামেই যায়, তাই সাপ্লায়ার ভালোভাবে যাচাই করুন।

Facebook পেজ নাকি নিজের ওয়েবসাইট — কোনটা দিয়ে শুরু করব?

বেশিরভাগ নতুন সেলারের জন্য Facebook পেজ দিয়ে শুরু করে চাহিদা যাচাই করা সহজ। অর্ডার নিয়মিত হলে নিজের ওয়েবসাইটে গেলে অর্ডার, স্টক, পেমেন্ট ও কুরিয়ার এক জায়গায় সামলানো যায় এবং ক্রেতার তথ্য নিজের কাছে থাকে।

ভুয়া অর্ডার ও রিটার্ন কীভাবে কমাব?

প্রতিটি অর্ডার ফোন বা মেসেজে কনফার্ম করুন, নতুন বা দূরের ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ নেওয়ার কথা ভাবুন এবং পণ্যের বিবরণ সৎ ও পরিষ্কার রাখুন। বারবার ফেরত আসা নম্বর ও ঠিকানার তালিকা রাখাও কাজে দেয়।

পণ্যের দাম কীভাবে ঠিক করব?

কেনা দামের সাথে প্যাকেজিং, কুরিয়ার, COD চার্জ, বিজ্ঞাপন খরচ ও রিটার্নের ক্ষতি যোগ করে তারপর লাভ ধরুন। EOMS BD-র ই-কমার্স প্রফিট ক্যালকুলেটর দিয়ে এই হিসাব সহজে করা যায়।

EOMS BD কি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করে?

EOMS BD বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরাসরি সাপ্লায়ার ও ইমপোর্টারের সাথে ফ্রি যোগাযোগ করিয়ে দেয় এবং চাইলে অনলাইন শপ ওয়েবসাইট বানিয়ে দেয়। আমরা নিজেরা পণ্য বিক্রি করি না, আর ওয়েবসাইট নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

সরাসরি সাপ্লায়ার / ইমপোর্টারের কন্টাক্ট নিন — ফ্রি

কোন পণ্য, কত পরিমাণে চান জানান — আমাদের যাচাই করা সাপ্লায়ারের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেব।

  • সাপ্লায়ার কন্টাক্ট সহায়তা সম্পূর্ণ ফ্রি
  • কম পরিমাণ ও ড্রপশিপিংয়ের সুযোগ
  • চাইলে অনলাইন শপ ওয়েবসাইটও বানিয়ে দিই
  • +880 1784-222255

সাপ্লায়ার কন্টাক্ট চাই (ফ্রি)

সাবমিট করলে WhatsApp-এ সরাসরি কথা বলার অপশন পাবেন।