হ্যাঁ, EOMS BD-তে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পেমেন্ট তিন কিস্তিতে দেওয়া যায়: অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইন অনুমোদনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে। প্রতিটি ধাপের কাজ ডেমো/টেস্ট লিংকে দেখানো হয়, তাই পরের কিস্তি দেওয়ার আগে আপনি নিজে যাচাই করতে পারেন। প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ ও কোন কিস্তিতে কোন কাজ — সব লিখিত কোটেশনে আলাদা করে লেখা থাকে।
- কিস্তি ১ — অগ্রিম: কাজ শুরু, ফিচার ও কাঠামো চূড়ান্ত, হোমপেজ ডিজাইন
- কিস্তি ২ — হোমপেজ ডিজাইন ডেমোতে দেখে অনুমোদনের পর
- কিস্তি ৩ — অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে, অর্ডার-স্টক-পেমেন্ট-কুরিয়ার টেস্ট করে
- সাধারণত অগ্রিম ও কনটেন্ট পাওয়ার পর পূর্ণ স্টোর প্রায় ২৫–৩০ দিনে
- ডোমেইন, হোস্টিং, সোর্স কোড ও অ্যাডমিন প্যানেলের মালিকানা আপনার — লিখিতভাবে
কিস্তিতে ওয়েবসাইট বানানো কি সম্ভব?
হ্যাঁ। EOMS BD-তে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পেমেন্ট একবারে দিতে হয় না — তিন কিস্তিতে দেওয়া যায়: অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইন অনুমোদনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে।
কিস্তির আসল উদ্দেশ্য শুধু পেমেন্ট ভাগ করা নয়, প্রতিটি পেমেন্টের সাথে একটি নির্দিষ্ট কাজ জুড়ে দেওয়া। আপনি আগে থেকেই জানবেন কোন কিস্তি দিলে কী কাজ পাবেন, আর পরের কিস্তি দেওয়ার আগে সেই কাজ ডেমো লিংকে নিজের চোখে দেখে নিতে পারবেন। নতুন কোনো ডেভেলপারের সাথে কাজ শুরু করতে গেলে যে চিন্তাটা থাকে — "সব পেমেন্ট দিয়ে দিলাম, কাজ ঠিকমতো পাব তো?" — এই পদ্ধতিতে সেটা অনেকটাই দূর হয়।
প্রস্তাব পাওয়ার পর অনেকেই জানতে চান: কয় কিস্তি, প্রতি কিস্তিতে কত, আর কোন কিস্তিতে কোন কাজ। প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ প্রজেক্টের স্কোপ অনুযায়ী ঠিক হয় এবং লিখিত কোটেশনে আলাদা লাইনে লেখা থাকে। এই পেজে আমরা ব্যাখ্যা করছি কোন কিস্তিতে কোন কাজ হয়, আপনি কীভাবে যাচাই করবেন, আর কী কী লিখিত থাকবে।
কিস্তি পদ্ধতি সবচেয়ে কাজে আসে যাদের জন্য:
- যারা প্রথমবার ওয়েবসাইট বানাচ্ছেন এবং ধাপে ধাপে কাজ দেখে এগোতে চান।
- যাদের বাজেট সীমিত, তাই কাজের অগ্রগতির সাথে সাথে পেমেন্ট দিতে চান।
- যারা ঢাকার বাইরে বা দেশের বাইরে থাকেন এবং সামনাসামনি না এসেই কাজের অগ্রগতি দেখতে চান।
তিন কিস্তি: প্রতিটি কিস্তিতে কী কাজ পাবেন
সংক্ষেপে: অগ্রিম দিয়ে কাজ শুরু হয়, দ্বিতীয় কিস্তি দেন হোমপেজ ডিজাইন দেখে অনুমোদন দেওয়ার পর, আর তৃতীয় তথা চূড়ান্ত কিস্তি দেন অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হয়ে আপনি টেস্ট করার পর।
| কিস্তি | কখন দেবেন | এই ধাপে যে কাজ হয় | পরের কিস্তির আগে আপনি যা যাচাই করবেন |
|---|---|---|---|
| ১. অগ্রিম | কোটেশন চূড়ান্ত হলে, কাজ শুরুর সময় | ফিচার তালিকা চূড়ান্ত করা, আপনার রেফারেন্স ডিজাইন বোঝা, ক্যাটাগরি ও পেজের কাঠামো ঠিক করা, হোমপেজ ডিজাইন | কোটেশনে সব ফিচার, কিস্তি ও মালিকানার শর্ত লেখা আছে কি না |
| ২. হোমপেজ ডিজাইন অনুমোদনের পর | ডেমো লিংকে হোমপেজ দেখে আপনি অনুমোদন দিলে | অনুমোদিত ডিজাইন ধরে ক্যাটাগরি, প্রোডাক্ট পেজ, সার্চ, কার্ট, চেকআউট, কাস্টমার অ্যাকাউন্ট এবং অ্যাডমিন প্যানেলের কাজ | মোবাইল ও কম্পিউটারে লেআউট, রং, লোগো, মেনু, অ্যানিমেশন |
| ৩. অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে (চূড়ান্ত) | অ্যাডমিন প্যানেল ও পুরো অর্ডার প্রক্রিয়া ডেমোতে টেস্ট করার পর | প্রোডাক্ট ও স্টক ম্যানেজমেন্ট, অর্ডার ও স্ট্যাটাস, পেমেন্ট, কুরিয়ার, স্টাফ অ্যাকাউন্ট, রিপোর্ট — সব চালু অবস্থায় | টেস্ট অর্ডার দিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া |
কোন কিস্তিতে কত — সেটা কোথায় লেখা থাকে
এই পেজে কোনো অঙ্ক দেওয়া হচ্ছে না, কারণ প্রতিটি ওয়েবসাইটের ফিচার আলাদা — কারও শুধু ক্যাটালগ আর ক্যাশ অন ডেলিভারি দরকার, কারও কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন, কাস্টম কোটেশন ফর্ম বা মাল্টি-ভেন্ডর সিস্টেম। আপনার চাহিদা বুঝে লিখিত কোটেশন দেওয়া হয়, যেখানে মোট খরচ, প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ এবং কোন কাজ শেষ হলে কোন কিস্তি — সব পরিষ্কার করে লেখা থাকে।
চূড়ান্ত কিস্তির পরে কী হয়
চূড়ান্ত কিস্তির পর ওয়েবসাইট আপনার ডোমেইন ও হোস্টিংয়ে লাইভ করা হয় এবং সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল, সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল আপনাকে হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিটি ধাপে ডেমো লিংক: আগে দেখুন, তারপর পেমেন্ট
প্রতিটি ধাপের কাজ একটি ডেমো/টেস্ট লিংকে দেখানো হয়, যেটা আপনি মোবাইল বা কম্পিউটারে যখন খুশি খুলে দেখতে পারেন। পরের কিস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এই লিংক দেখেই।
ডেমো লিংক মানে স্ক্রিনশট বা ভিডিও নয় — এটা চালু ওয়েবসাইট, যেখানে ক্লিক করে, স্ক্রল করে, অর্ডার দিয়ে সব দেখা যায়। ফলে কাজ কতদূর এগোল, সেটা কারও কথার ওপর নির্ভর না করে নিজেই বুঝতে পারেন।
- হোমপেজ ধাপে: ডিজাইন মোবাইলে কেমন দেখায়, মেনু ও ব্যানার ঠিক আছে কি না, আপনার ব্র্যান্ডের রং ও লোগো ঠিকভাবে বসেছে কি না।
- অ্যাডমিন ধাপে: অ্যাডমিন লগইন দিয়ে নিজে প্রোডাক্ট যোগ করা, স্টক বদলানো, টেস্ট অর্ডার দিয়ে সেটা অ্যাডমিন থেকে কুরিয়ারে পাঠানো পর্যন্ত চালিয়ে দেখা।
- মতামত: কিছু ঠিক না লাগলে জানান; কোটেশনের স্কোপের মধ্যে থাকা বিষয় ঠিক করে আবার ডেমোতে দেখানো হয়, তারপর আপনি অনুমোদন দেন।
মতামত একটা একটা করে না পাঠিয়ে এক তালিকায় লিখুন — প্রতিটি পয়েন্টের সাথে স্ক্রিনশট ও কোন পেজে সমস্যা, সেটা দিন। এতে সংশোধন দ্রুত হয় এবং কোনো পয়েন্ট বাদ পড়ে না।
চূড়ান্ত কিস্তির আগে ঠিক কী কী টেস্ট করবেন, তার পূর্ণ চেকলিস্ট পাবেন ডেমো দেখে ও সম্পূর্ণ টেস্ট করে চূড়ান্ত পেমেন্ট পেজে।
কত দিনে কাজ শেষ হয় এবং কিস্তির সময় কীভাবে মেলে
সাধারণত অগ্রিম ও প্রয়োজনীয় কনটেন্ট পাওয়ার পর একটি পূর্ণ ই-কমার্স স্টোর প্রায় ২৫–৩০ দিনে শেষ হয়। তবে এটা ফিচারের পরিমাণ এবং আপনার কনটেন্ট ও অনুমোদন কত দ্রুত আসে তার ওপর নির্ভর করে।
- কোটেশন চূড়ান্ত ও অগ্রিম: ফিচার তালিকা ও শর্ত লিখিতভাবে ঠিক হয়, অগ্রিম দিয়ে কাজ শুরু।
- কনটেন্ট দেওয়া: লোগো, ক্যাটাগরি, প্রোডাক্টের ছবি ও বিবরণ, যোগাযোগের তথ্য, পলিসির তথ্য।
- হোমপেজ ডিজাইন ডেমো: ডেমো লিংকে হোমপেজ দেখানো হয়।
- মতামত ও অনুমোদন: প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর আপনি অনুমোদন দেন — দ্বিতীয় কিস্তি।
- বাকি পেজ ও অ্যাডমিন প্যানেল: প্রোডাক্ট, স্টক, অর্ডার, পেমেন্ট, কুরিয়ার, স্টাফ ও রিপোর্টের কাজ।
- অ্যাডমিন ডেমো ও টেস্ট: আপনি পুরো সিস্টেম টেস্ট করেন, সমস্যা থাকলে ঠিক করা হয় — চূড়ান্ত কিস্তি।
- লাইভ ও হস্তান্তর: আপনার ডোমেইন-হোস্টিংয়ে লাইভ, তারপর সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব অ্যাক্সেস হস্তান্তর।
খেয়াল করুন, কিস্তি কোনো নির্দিষ্ট তারিখের সাথে বাঁধা নয়, কাজের ধাপের সাথে বাঁধা। কাজ সাধারণত দেরি হয় তিন জায়গায়: কনটেন্ট দিতে দেরি, ডেমো দেখে মতামত দিতে দেরি, আর bKash, Nagad বা Rocket-এর মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট অনুমোদন পেতে দেরি। এগুলো আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে পুরো প্রজেক্ট সময়মতো শেষ হয়।
কোটেশন ও চুক্তিতে কী কী লিখিত থাকবে
কিস্তির পরিমাণ, প্রতিটি কিস্তির সাথে কোন কাজ, পুরো ফিচার তালিকা, মালিকানা ও সাপোর্টের শর্ত — সবকিছু লিখিত কোটেশনে থাকে। মুখের কথায় কিছু রাখা হয় না।
- ফিচারের লাইন-বাই-লাইন তালিকা: প্রোডাক্ট ক্যাটালগ, ক্যাটাগরি, সার্চ, কার্ট-চেকআউট, স্টক ম্যানেজমেন্ট ও লো-স্টক অ্যালার্ট, অর্ডার, কাস্টমার ও স্টাফ অ্যাকাউন্ট, রিপোর্ট, পেমেন্ট ও কুরিয়ার।
- তিন কিস্তির প্রতিটির পরিমাণ এবং কোন কাজ শেষ হলে কোন কিস্তি।
- প্রথম বছরের খরচ এবং পরের প্রতি বছরের খরচ আলাদা আলাদা করে।
- ডোমেইন আপনার নাম ও ইমেইলে, হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে — কেনার আগে প্রোভাইডার ও প্যাকেজের স্পেসিফিকেশন জানানো হয়।
- সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল, সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল হস্তান্তর; কোনো ভেন্ডর লক-ইন নেই।
- Search Console, Google Analytics ও Meta Pixel আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে সেটআপ।
- লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট ও ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং; নতুন ফিচারের দাম স্কোপ অনুযায়ী, কাজের আগে সম্মতিতে।
- লাইফটাইম ফ্রি SSL ও ডেইলি ব্যাকআপ।
সিস্টেমটি Laravel ও Next.js/React দিয়ে কাস্টম তৈরি, WordPress বা WooCommerce নয় — তাই থিম বা প্লাগইন লাইসেন্সের কোনো খরচ নেই। মালিকানার বিষয়গুলো বিস্তারিত বুঝতে পড়ুন ওয়েবসাইটের মালিকানা কার, আর মোট খরচ কীভাবে হিসাব করবেন জানতে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মোট খরচ।
যার কাছ থেকেই কিস্তিতে ওয়েবসাইট বানান, "কাজ শেষ হলে বাকিটা দেবেন" — এমন অস্পষ্ট কথায় রাজি হবেন না। "কাজ শেষ" বলতে ঠিক কী বোঝায়, কোন কিস্তিতে কোন কাজ, আর ডোমেইন-হোস্টিং কার নামে — এগুলো লিখিত না থাকলে পরে ভুল বোঝাবুঝি হয়।
কাজ শুরুর আগে আপনার দিক থেকে প্রস্তুতি
আপনার কনটেন্ট ও সিদ্ধান্ত যত গোছানো থাকবে, প্রতিটি ধাপ তত দ্রুত শেষ হবে এবং কিস্তিগুলোও সময়মতো এগোবে।
- লোগো ও ব্র্যান্ডের রং (না থাকলে আগে থেকে জানান)।
- ক্যাটাগরির তালিকা, প্রোডাক্টের ছবি, নাম, বিবরণ, সাইজ-কালার ভ্যারিয়েশন।
- পছন্দের দুই-তিনটি রেফারেন্স ওয়েবসাইট, আর প্রতিটির কোন অংশ ভালো লাগে।
- পেমেন্ট মেথড: ক্যাশ অন ডেলিভারি, bKash, Nagad, Rocket (মার্চেন্ট অনুমোদন লাগে), চাইলে কার্ডের জন্য SSLCommerz।
- কুরিয়ার: Steadfast, Pathao বা RedX — কোনটিতে অ্যাকাউন্ট আছে বা খুলবেন।
- রিটার্ন, রিফান্ড ও ডেলিভারি পলিসির তথ্য।
কোন তথ্যগুলো আগে থেকে ঠিক করে রাখা দরকার, তার পূর্ণ তালিকা আছে ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানানোর আগে চেকলিস্ট পেজে। সব একসাথে তৈরি না থাকলেও কাজ শুরু করা যায় — তবে কোনটা কোন ধাপের আগে লাগবে, সেটা শুরুতেই জেনে নিন।
শেষ কিস্তির পরে সাপোর্ট, নবায়ন ও বাড়তি খরচ
শেষ কিস্তির পরে কোটেশনের বাইরে কোনো লুকানো চার্জ নেই। লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং পাবেন; পরের বছরের খরচ কী কী, সেটা কোটেশনেই আলাদা করে লেখা থাকে।
| বিষয় | কীভাবে হয় |
|---|---|
| ডোমেইন ও হোস্টিং নবায়ন | আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি প্রোভাইডারকে দেন — এটা EOMS BD-এর চার্জ নয় |
| সাপোর্ট | লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি |
| বাগ ফিক্স (বিদ্যমান ফিচারের সমস্যা) | ১ বছর ফ্রি |
| SSL | লাইফটাইম ফ্রি |
| নতুন ফিচার | স্কোপ অনুযায়ী দাম, কাজ শুরুর আগে সম্মতিতে |
| বার্ষিক মেইনটেন্যান্স | ঐচ্ছিক — শুধু EOMS BD সার্ভার দেখাশোনা করলে; এটা ছাড়াও সাইট চলে |
| পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ | গেটওয়ে বা মার্চেন্ট সেবাদাতার নিজস্ব চার্জ, তাদেরকেই দেওয়া হয় |
সাপোর্ট ও মেইনটেন্যান্সের পার্থক্য বুঝতে দেখুন মেইনটেন্যান্স ও সাপোর্ট খরচ।
EOMS BD কীভাবে কাজ করে: ১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চালু। প্রতিটি প্রজেক্টে তিন কিস্তি — অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইন অনুমোদনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে — আর প্রতিটি ধাপ ডেমো লিংকে দেখে তারপর পেমেন্ট। ডোমেইন, হোস্টিং, সোর্স কোড ও অ্যাডমিন প্যানেলের মালিকানা আপনার, লিখিতভাবে। নিচের ভিডিওতে আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা দেখুন, আর লিখিত কোটেশনের জন্য WhatsApp করুন +880 1784-222255 নম্বরে।
আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
প্রতিটি কিস্তিতে কত দিতে হবে?
প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ আপনার ওয়েবসাইটের ফিচার ও স্কোপ অনুযায়ী ঠিক হয়, তাই আগে চাহিদা বুঝে লিখিত কোটেশন দেওয়া হয়। কোটেশনে মোট খরচ, তিন কিস্তির প্রতিটির পরিমাণ এবং কোন কাজ শেষ হলে কোন কিস্তি — সব আলাদা করে লেখা থাকে।
অগ্রিম দেওয়ার পর হোমপেজ ডিজাইন পছন্দ না হলে কী হবে?
ডেমো লিংকে হোমপেজ দেখে কী বদলাতে চান জানান। কোটেশনের স্কোপের মধ্যে থাকা বিষয় ঠিক করে আবার ডেমোতে দেখানো হয়। আপনি অনুমোদন দেওয়ার পরই দ্বিতীয় কিস্তি দেবেন।
শেষ কিস্তি কি পুরো সাইট টেস্ট করার পরে দিতে পারব?
হ্যাঁ। শেষ কিস্তি দেওয়া হয় অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হওয়ার পর, যখন আপনি ডেমো লিংকে টেস্ট অর্ডার দিয়ে অর্ডার, স্টক, পেমেন্ট ও কুরিয়ার প্রক্রিয়া নিজে চালিয়ে দেখেছেন। কোনো সমস্যা পেলে আগে সেটা ঠিক করা হয়।
ডোমেইন ও হোস্টিংয়ের খরচ কোন কিস্তিতে, আর পরের বছর কী দিতে হয়?
ডোমেইন ও হোস্টিং কোটেশনে আলাদা লাইনে থাকে এবং আপনার নাম ও অ্যাকাউন্টে কেনা হয়। কোটেশনে প্রথম বছরের খরচ আর পরের প্রতি বছরের খরচ আলাদা করে লেখা থাকে। পরের বছর থেকে নবায়ন আপনি সরাসরি প্রোভাইডারকে দেন, এটা EOMS BD-এর চার্জ নয়।
ঢাকার বাইরে বা দেশের বাইরে থেকে কি কিস্তিতে কাজ করানো যায়?
হ্যাঁ। প্রতিটি ধাপের কাজ অনলাইনের ডেমো লিংকে দেখানো হয় এবং যোগাযোগ চলে WhatsApp ও ইমেইলে, তাই সামনাসামনি দেখা করার দরকার হয় না। দেশের বাইরের ক্লায়েন্টদের জন্যও একই তিন কিস্তির পদ্ধতি।
কাজের মাঝপথে নতুন ফিচার যোগ করতে চাইলে কী হবে?
নতুন ফিচারের দাম স্কোপ অনুযায়ী ঠিক করে কাজ শুরুর আগে আপনার সম্মতি নেওয়া হয় এবং কোটেশনে যোগ করা হয়। এতে কাজের সময়ও কিছুটা বাড়তে পারে, সেটাও আগে জানানো হয়।