Home›ওয়েবসাইট সার্ভিস›ডেমো দেখে ও সম্পূর্ণ টেস্ট করে চূড়ান্ত পেমেন্ট
টেস্ট ও হস্তান্তর

ডেমো দেখে ও সম্পূর্ণ টেস্ট করে চূড়ান্ত পেমেন্ট

চূড়ান্ত কিস্তির আগে পুরো ওয়েবসাইট ডেমো লিংকে নিজে চালিয়ে দেখুন — কাস্টমার হিসেবে অর্ডার দিন, অ্যাডমিন হিসেবে সেই অর্ডার সামলান। সব ঠিক থাকলে তবেই পেমেন্ট ও হস্তান্তর।

১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা ১৩ বছর সৌদি আরবে Head of IT USA, UK ও মালয়েশিয়ার ক্লায়েন্ট বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট
আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ লিখেছে: EOMS BD টিম পড়তে ~7 মিনিট
সংক্ষেপে উত্তর

হ্যাঁ, EOMS BD-তে ওয়েবসাইটের চূড়ান্ত কিস্তি দেওয়া হয় অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হওয়ার পর, যখন আপনি ডেমো/টেস্ট লিংকে পুরো সাইট নিজে চালিয়ে দেখেছেন। কোটেশনে থাকা প্রতিটি ফিচার — অর্ডার, স্টক, পেমেন্ট, কুরিয়ার, স্টাফ অ্যাকাউন্ট, রিপোর্ট — আপনি টেস্ট করেন, আর সমস্যা পেলে ঠিক করে আবার দেখানো হয়। চূড়ান্ত পেমেন্টের পর সাইট লাইভ হয় এবং সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল আপনাকে হস্তান্তর করা হয়।

  • প্রতিটি ধাপে ডেমো লিংক: হোমপেজ ডিজাইন, কাস্টমার পেজ, অ্যাডমিন প্যানেল
  • টেস্ট অর্ডার দিয়ে শুরু থেকে কুরিয়ার বুকিং পর্যন্ত যাচাই
  • কোটেশনের ফিচারের বাগ ঠিক করা হয়; নতুন ফিচার আলাদা স্কোপে, আগে সম্মতিতে
  • চূড়ান্ত পেমেন্টের পর লাইভ ও সম্পূর্ণ হস্তান্তর, কোনো লক-ইন নেই
  • লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট, ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং

ডেমো দেখে চূড়ান্ত পেমেন্ট মানে কী

এর মানে হলো, ওয়েবসাইটের শেষ কিস্তি আপনি দেবেন তখনই, যখন পুরো সাইট — কাস্টমারের দিক আর অ্যাডমিন প্যানেল দুটোই — ডেমো লিংকে নিজে চালিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন যে কোটেশনে যা লেখা ছিল, তা ঠিকমতো কাজ করছে।

EOMS BD-তে পেমেন্ট হয় তিন কিস্তিতে: অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইন অনুমোদনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে। প্রতিটি ধাপের কাজ একটি ডেমো/টেস্ট লিংকে দেখানো হয়। তৃতীয় তথা চূড়ান্ত কিস্তির আগের এই টেস্টটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে আপনি আসল ব্যবসার মতো করে অর্ডার নেওয়া থেকে কুরিয়ারে পাঠানো পর্যন্ত সব যাচাই করেন। কিস্তির পুরো কাঠামো বুঝতে দেখুন কিস্তিতে ওয়েবসাইট — তিন কিস্তি ও প্রতিটিতে কী কাজ।

ইংরেজিতে একে বলে acceptance testing — অর্থাৎ কাজ গ্রহণ করার আগে যাচাই। এতে দুই পক্ষেরই লাভ: আপনি জেনে-বুঝে পেমেন্ট দেন, আর লাইভের পরে অপ্রত্যাশিত সমস্যার ঝুঁকি কমে।

একটা বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার থাকা ভালো: টেস্ট হয় কোটেশনে লেখা ফিচার ধরে। কোটেশনে যা আছে তা ঠিকমতো চললে কাজ সম্পন্ন ধরা হয়; যা নেই, সেটা পরের ধাপের নতুন কাজ। তাই কোটেশন হাতে পাওয়ার সময়েই ফিচার তালিকা মন দিয়ে পড়ুন — কোনো জরুরি জিনিস বাদ পড়লে তখনই যোগ করিয়ে নিন। এতে টেস্টের সময় "এটা তো ভেবেছিলাম থাকবে" ধরনের ভুল বোঝাবুঝি হয় না।

কোন ধাপে ডেমোতে কী দেখবেন

ডেমো একবারে নয়, ধাপে ধাপে দেখানো হয় — প্রথমে ডিজাইন, তারপর বাকি পেজ, শেষে পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল। প্রতিটি ধাপে আপনার কাজ আলাদা।

ধাপডেমোতে যা থাকেআপনার সিদ্ধান্ত
হোমপেজ ডিজাইনহোমপেজ, মেনু, ব্যানার, অ্যানিমেশন — মোবাইল ও কম্পিউটারেডিজাইন অনুমোদন, তারপর দ্বিতীয় কিস্তি
কাস্টমারের পেজগুলোক্যাটাগরি, প্রোডাক্ট পেজ, সার্চ, কার্ট, চেকআউট, কাস্টমার অ্যাকাউন্টলেআউট ও প্রবাহ নিয়ে মতামত
অ্যাডমিন প্যানেলপ্রোডাক্ট, স্টক, অর্ডার, পেমেন্ট, কুরিয়ার, স্টাফ অ্যাকাউন্ট, রিপোর্টপূর্ণ টেস্ট, সব ঠিক থাকলে চূড়ান্ত কিস্তি

ডিজাইন ধাপে ভালো করে দেখে নেওয়া জরুরি। অনুমোদনের পর ডিজাইনে বড় পরিবর্তন চাইলে পরের সব পেজে তার প্রভাব পড়ে, ফলে সময় ও স্কোপ দুটোই বাড়তে পারে।

চূড়ান্ত পেমেন্টের আগে টেস্ট চেকলিস্ট

আপনার কোটেশনের ফিচার তালিকাই আসলে আপনার টেস্টের তালিকা। নিচের চেকলিস্ট ধরে প্রতিটি অংশ নিজে চালিয়ে দেখুন — টেকনিক্যাল জ্ঞান লাগে না, শুধু একজন কাস্টমার আর একজন দোকান মালিকের মতো ব্যবহার করতে হয়।

কাস্টমারের দিক থেকে

  • হোমপেজ থেকে ক্যাটাগরি, সেখান থেকে প্রোডাক্ট — সব লিংক ঠিকমতো খুলছে।
  • সার্চে প্রোডাক্টের নাম লিখলে সঠিক ফল আসছে।
  • সাইজ বা কালার বেছে কার্টে যোগ করা, পরিমাণ বদলানো ও মুছে ফেলা যাচ্ছে।
  • চেকআউটে নাম, ফোন, ঠিকানা দিয়ে অর্ডার জমা হচ্ছে এবং নিশ্চিতকরণ দেখাচ্ছে।
  • কাস্টমার অ্যাকাউন্ট খোলা, লগইন ও আগের অর্ডার দেখা যাচ্ছে।

অ্যাডমিন প্যানেল

  • নতুন প্রোডাক্ট যোগ, ছবি আপলোড, দাম ও বিবরণ বদলানো।
  • অর্ডার এলে স্টক নিজে থেকে কমছে, স্টক কম হলে লো-স্টক অ্যালার্ট আসছে।
  • অর্ডারের স্ট্যাটাস বদলানো যাচ্ছে — নতুন, নিশ্চিত, পাঠানো, ডেলিভারি, বাতিল, রিটার্ন।
  • স্টাফ অ্যাকাউন্ট খুলে নির্দিষ্ট পারমিশন দেওয়া যাচ্ছে, আর অ্যাক্টিভিটি লগে কে কী করল দেখা যাচ্ছে।
  • বিক্রি, অর্ডার, কাস্টমার ও লাভ-ক্ষতির রিপোর্টে টেস্ট অর্ডারগুলো ঠিকমতো দেখাচ্ছে।

পেমেন্ট ও কুরিয়ার

  • ক্যাশ অন ডেলিভারি অর্ডার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলছে।
  • bKash, Nagad, Rocket বা SSLCommerz — কোটেশনে যেগুলো আছে, সেগুলোর পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
  • অ্যাডমিন থেকে Steadfast, Pathao বা RedX-এ পার্সেল বুকিং হচ্ছে।
  • কোটেশনে থাকলে WhatsApp অর্ডার নোটিফিকেশন আসছে।

bKash, Nagad বা Rocket-এ লাইভ পেমেন্ট চালু করতে আপনার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের অনুমোদন লাগে, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দেয়। অনুমোদন আসতে সময় লাগতে পারে, তাই কাজ শুরুর সময়েই আবেদন করে রাখুন। অনুমোদন না আসা পর্যন্ত বাকি অংশ সাধারণত টেস্ট মোড ও ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে যাচাই করা হয়।

মোবাইল, গতি ও সেটআপ

  • নিজের ফোনে পুরো সাইট — বেশিরভাগ কাস্টমার মোবাইল থেকেই আসেন।
  • পেজ দ্রুত খুলছে, ছবি ঠিকমতো লোড হচ্ছে।
  • Bangla ও English দুটো থাকলে দুই ভাষাতেই লেখা ঠিক আছে।
  • পলিসি পেজ, যোগাযোগের তথ্য ও ফুটারের লিংক সঠিক।

টেস্ট কীভাবে করবেন: ধাপে ধাপে

সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কয়েকটি আসল পরিস্থিতি তৈরি করে সেগুলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চালানো, তারপর সব সমস্যা এক তালিকায় পাঠানো।

  1. সময় আলাদা রাখুন: তাড়াহুড়ো না করে এক-দুই বসায় পুরো চেকলিস্ট শেষ করুন।
  2. ফোন ও কম্পিউটার দুটোতেই: একই কাজ দুই ডিভাইসে করে দেখুন।
  3. ভিন্ন ভিন্ন টেস্ট অর্ডার দিন: একটি ক্যাশ অন ডেলিভারি, একটি অনলাইন পেমেন্ট, একটি যেটা পরে বাতিল করবেন, একটি যেটা রিটার্ন দেখাবেন।
  4. অ্যাডমিন থেকে প্রতিটি অর্ডার সামলান: স্ট্যাটাস বদলান, কুরিয়ার বুক করুন, স্টক মিলিয়ে দেখুন।
  5. স্টাফ হিসেবে লগইন করুন: যে পারমিশন দেননি, সেটা স্টাফ করতে পারছে না — এটা নিশ্চিত করুন।
  6. রিপোর্ট মিলিয়ে দেখুন: যে কয়টি টেস্ট অর্ডার দিয়েছেন, রিপোর্টে সেগুলোই ঠিকভাবে আসছে কি না।
  7. এক তালিকায় পাঠান: প্রতিটি সমস্যার সাথে পেজের লিংক, স্ক্রিনশট আর কী আশা করেছিলেন তা লিখুন।
  8. সমাধানের পর আবার যাচাই: ঠিক হওয়া পয়েন্টগুলো আবার চালিয়ে দেখুন, তারপর চূড়ান্ত পেমেন্ট।

যিনি আসলে অর্ডার সামলাবেন — আপনার স্টাফ বা পরিবারের কেউ — তাকে দিয়েও একবার টেস্ট করান। নতুন চোখে এমন অনেক বিষয় ধরা পড়ে, যা নিজের চোখ এড়িয়ে যায়।

ওয়েবসাইট বানানোর আগে কোন ফিচার লাগবে সেটা ঠিক করার জন্যও এই তালিকা কাজে আসে; আরও বিস্তারিত পাবেন ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানানোর আগে চেকলিস্ট পেজে।

টেস্টে পাওয়া সমস্যা ও পরিবর্তন কীভাবে সামলানো হয়

কোটেশনে থাকা কোনো ফিচার ঠিকমতো কাজ না করলে সেটা বাগ, এবং চূড়ান্ত পেমেন্টের আগেই তা ঠিক করা হয়। কিন্তু কোটেশনে ছিল না এমন নতুন ফিচার আলাদা কাজ — তার দাম স্কোপ অনুযায়ী ঠিক হয় এবং কাজ শুরুর আগে আপনার সম্মতি নেওয়া হয়।

ধরনউদাহরণকীভাবে সামলানো হয়
বাগচেকআউটে অর্ডার জমা হচ্ছে না, অর্ডারের পর স্টক কমছে না, রিপোর্টে হিসাব মিলছে নাঠিক করে আবার ডেমোতে দেখানো হয়; লাইভের পরেও ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং
স্কোপের মধ্যে সমন্বয়লেখা বা ছবি বদলানো, মেনুর ক্রম, অনুমোদিত ডিজাইনের সাথে না মেলা কোনো অংশআপনার মতামতের তালিকা ধরে ঠিক করা হয়
নতুন ফিচারনতুন ধরনের রিপোর্ট, নতুন পেমেন্ট মেথড, মাল্টি-ভেন্ডর সিস্টেম, AI চ্যাটবটস্কোপ অনুযায়ী দাম, কাজের আগে সম্মতি; সময়ও আলাদা করে জানানো হয়

টেস্টের সময় নতুন আইডিয়া আসা খুব স্বাভাবিক। চাইলে সেগুলো আলাদা তালিকায় রাখুন — মূল সাইট লাইভ করে বিক্রি শুরু করুন, তারপর দ্বিতীয় ধাপে নতুন ফিচার যোগ করুন। এতে লাইভ হতে দেরি হয় না।

চূড়ান্ত পেমেন্টের পর হস্তান্তর: কী কী পাবেন

চূড়ান্ত পেমেন্টের পর ওয়েবসাইট আপনার ডোমেইন ও হোস্টিংয়ে লাইভ করা হয় এবং সিস্টেমের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে তুলে দেওয়া হয় — লিখিত কোটেশন অনুযায়ী।

  • আপনার নাম ও ইমেইলে নিবন্ধিত ডোমেইনে সাইট লাইভ, আপনার অ্যাকাউন্টের হোস্টিংয়ে।
  • সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেলের মূল (সুপার অ্যাডমিন) অ্যাক্সেস।
  • সম্পূর্ণ সোর্স কোড — Laravel ব্যাকএন্ড ও Next.js/React ফ্রন্টএন্ড।
  • MySQL ডাটাবেস ও হোস্টিং, ডোমেইনসহ সব ক্রেডেনশিয়াল।
  • Search Console, Google Analytics ও Meta Pixel আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে।
  • লাইফটাইম ফ্রি SSL চালু ও ডেইলি ব্যাকআপ।

কোনো ভেন্ডর লক-ইন নেই — ভবিষ্যতে চাইলে অন্য ডেভেলপার বা অন্য সার্ভারে নিয়ে যেতে পারবেন। হস্তান্তরের সময় কী কী মিলিয়ে নেবেন, তার পূর্ণ তালিকা দেখুন ওয়েবসাইট হস্তান্তর চেকলিস্ট পেজে, আর মালিকানার আইনি দিকগুলো ওয়েবসাইটের মালিকানা কার পেজে।

লাইভের পরে সাপোর্ট ও বাগ ফিক্স

লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং পাবেন। বাগ মানে বিদ্যমান কোনো ফিচারের সমস্যা; নতুন ফিচার আলাদাভাবে স্কোপ ও দাম ঠিক করে করা হয়।

আসল কাস্টমারের অর্ডার আসা শুরু হলে কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি সামনে আসে, যা টেস্টে ধরা পড়েনি। এ কারণেই টেস্ট শেষ হলেও বাগ ফিক্সিংয়ের সময়টা লাইভের পর থেকে গোনা হয়। বার্ষিক মেইনটেন্যান্স ঐচ্ছিক — শুধু EOMS BD আপনার সার্ভার দেখাশোনা করলে লাগে; এটা ছাড়াও সাইট চলে। সাপোর্ট, বাগ ফিক্স ও মেইনটেন্যান্সের পার্থক্য বিস্তারিত বুঝতে পড়ুন মেইনটেন্যান্স ও সাপোর্ট খরচ।

লাইভের প্রথম কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত অর্ডারগুলো অ্যাডমিন প্যানেল থেকে মন দিয়ে দেখুন — স্টক, কুরিয়ার স্ট্যাটাস আর রিপোর্ট মিলছে কি না। কোনো অসংগতি চোখে পড়লে স্ক্রিনশটসহ জানান। ডেইলি ব্যাকআপ চালু থাকে, তাই কোনো ভুলে ডেটা হারানোর ভয় কম।

EOMS BD-এর সাথে যেভাবে চলে: ১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট। প্রতিটি ধাপ ডেমো লিংকে দেখানো হয়, চূড়ান্ত কিস্তি দেন অ্যাডমিন প্যানেল নিজে টেস্ট করার পর, আর পেমেন্টের পর সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব অ্যাক্সেস আপনার হাতে। নিচের ভিডিওতে আমাদের কাজ দেখুন; লিখিত কোটেশনের জন্য WhatsApp করুন +880 1784-222255 নম্বরে বা ইমেইল করুন info@eomsbd.com-এ।

আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আমি টেকনিক্যাল নই, ওয়েবসাইট টেস্ট করব কীভাবে?

টেকনিক্যাল জ্ঞান লাগে না। একজন কাস্টমারের মতো ফোন থেকে অর্ডার দিন, তারপর দোকান মালিকের মতো অ্যাডমিন প্যানেল থেকে সেই অর্ডার নিশ্চিত করুন, কুরিয়ার বুক করুন এবং স্টক ও রিপোর্ট মিলিয়ে দেখুন। এই পেজের চেকলিস্ট ধরে এগোলেই যথেষ্ট।

টেস্টে সমস্যা পেলে কতবার ঠিক করানো যাবে?

কোটেশনে থাকা ফিচার ঠিকমতো কাজ না করলে সেটা বাগ, আর তা ঠিক করে আবার ডেমোতে দেখানো হয়। সব সমস্যা এক তালিকায় স্ক্রিনশটসহ পাঠালে দ্রুত সমাধান হয়, তারপর আপনি আবার যাচাই করে চূড়ান্ত পেমেন্ট দেন।

টেস্টের সময় নতুন ফিচার যোগ করতে চাইলে কী হবে?

কোটেশনে ছিল না এমন ফিচার নতুন কাজ হিসেবে ধরা হয়। এর দাম স্কোপ অনুযায়ী ঠিক করে কাজ শুরুর আগে আপনার সম্মতি নেওয়া হয়। চাইলে মূল সাইট আগে লাইভ করে পরে নতুন ফিচার যোগ করতে পারেন।

bKash বা Nagad মার্চেন্ট অনুমোদন না এলে কীভাবে টেস্ট হবে?

লাইভ পেমেন্টের জন্য মার্চেন্ট অনুমোদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দেয় এবং এতে সময় লাগতে পারে। তাই কাজ শুরুর সময়েই আবেদন করে রাখা ভালো। অনুমোদন আসার আগে বাকি প্রক্রিয়া সাধারণত টেস্ট মোড ও ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে যাচাই করা হয়।

চূড়ান্ত পেমেন্টের পর সোর্স কোড ও অ্যাক্সেস কীভাবে পাব?

চূড়ান্ত পেমেন্টের পর সাইট আপনার ডোমেইন ও হোস্টিংয়ে লাইভ করা হয় এবং সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস, অ্যাডমিন প্যানেলের মূল অ্যাক্সেস ও সব ক্রেডেনশিয়াল হস্তান্তর করা হয়। ডোমেইন ও হোস্টিং শুরু থেকেই আপনার নামে থাকে।

লাইভ হওয়ার পর কোনো সমস্যা পেলে কী করব?

লাইভের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্সিং পাবেন। বিদ্যমান কোনো ফিচারে সমস্যা হলে WhatsApp-এ জানালেই তা ঠিক করা হয়।

আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিখিত কোটেশন নিন

আপনার চাহিদা জানান — প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর সম্পূর্ণ খরচসহ কোটেশন পাঠাব।

  • ডোমেইন ও হোস্টিং আপনার নামে
  • সম্পূর্ণ সোর্স কোড ও ডাটাবেস হস্তান্তর
  • ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট, ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স
  • +880 1784-222255

ফ্রি কোটেশন / পরামর্শ

সাবমিট করলে WhatsApp-এ সরাসরি কথা বলার অপশন পাবেন।