সংক্ষেপে উত্তর
এই লেখায় যা আছে (12)
PageSpeed Insights-এ আপনার shop-এর mobile score লাল দেখে চিন্তিত? অথবা কেউ বলেছেন "score ৯০-এর উপরে না নিলে Google-এ আসবেন না"? এই গাইডে দেখবেন score আসলে কী মাপে, কোন সংখ্যাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আর একটা online shop-এ কোন কাজগুলো সবচেয়ে বেশি ফল দেয় — WordPress/WooCommerce ও Laravel দুই ধরনের site-এর জন্য, অগ্রাধিকার অনুযায়ী সাজানো।
PageSpeed Insights-এর দুটো অংশ বুঝুন
PageSpeed Insights (PSI) Google-এর free tool — pagespeed.web.dev-এ URL দিলেই report পাবেন। এখানে দুই ধরনের তথ্য থাকে, আর এই পার্থক্য না বুঝলে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়:
| Field data (উপরের অংশ) | Lab data / Performance score (নিচের অংশ) | |
|---|---|---|
| উৎস | আসল Chrome ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা (Chrome UX Report) | Lighthouse-এর একটা simulated test |
| সময়কাল | গত ২৮ দিনের সমষ্টি | এই মুহূর্তের একবারের test |
| কী দেখায় | Core Web Vitals: LCP, INP, CLS — pass/fail | ০–১০০ score ও সমস্যার তালিকা |
| কখন কাজে লাগে | আসল customer কেমন অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন | কী ঠিক করতে হবে তা খোঁজা |
ছোট বা নতুন site-এ পর্যাপ্ত visitor না থাকলে field data দেখাবে না — তখন lab data দিয়েই কাজ চালাতে হবে। মনে রাখবেন, lab test একটা ধীর mobile network ও মাঝারি phone simulate করে, তাই mobile score সাধারণত desktop-এর চেয়ে কম আসে — এটা স্বাভাবিক।
Score কি ranking factor?
০–১০০ score নিজে সরাসরি ranking factor নয়। Google search-এ page experience-এর অংশ হিসেবে দেখে আসল ব্যবহারকারীদের Core Web Vitals। আর এগুলোও relevance ও content-এর চেয়ে বড় কিছু নয় — দ্রুত কিন্তু দুর্বল content-এর page ভালো content-এর ধীর page-কে সবসময় হারায় না। তবে ব্যবসার দিক থেকে speed-এর গুরুত্ব অনেক: ad-এর click-এর টাকা দিয়ে আনা visitor page খোলার আগেই চলে গেলে সেটা সরাসরি ক্ষতি।
Online shop ধীর হওয়ার সাধারণ কারণ
- দুর্বল hosting / ধীর server response (TTFB): সস্তা shared hosting-এ অনেক site একসাথে থাকে; WooCommerce-এর মতো ভারী site-এ এটা বড় বাধা।
- ভারী ছবি: phone থেকে তোলা কয়েক MB-এর ছবি সরাসরি upload।
- Third-party script: Meta Pixel, Google Tag Manager, TikTok Pixel, live chat, Messenger widget, heatmap tool — প্রতিটা আলাদা ভার।
- Theme/page builder ও plugin-এর ভিড়: ৪০–৫০টা plugin, যার অনেকগুলো প্রতিটা page-এ CSS/JS লোড করে।
- Font: Bangla ও English মিলিয়ে একাধিক font family, প্রতিটার অনেক weight।
- Slider ও animation: home page-এ ৫–৬ slide-এর বড় slider।
- Cache নেই: প্রতিটা visit-এ server নতুন করে page তৈরি করে।
অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজের তালিকা
সব পরামর্শ একসাথে করতে গেলে site ভাঙার ঝুঁকি থাকে। প্রভাব বেশি আর ঝুঁকি কম — এমন কাজ দিয়ে শুরু করুন:
| ক্রম | কাজ | প্রভাব | কঠিনতা |
|---|---|---|---|
| ১ | ছবি resize + WebP | বেশি | সহজ |
| ২ | Page cache চালু | বেশি | সহজ–মাঝারি |
| ৩ | অপ্রয়োজনীয় plugin/script সরানো | বেশি | মাঝারি |
| ৪ | LCP ছবি ঠিক করা, নিচের ছবি lazy | মাঝারি–বেশি | সহজ |
| ৫ | Font কমানো ও self-host | মাঝারি | মাঝারি |
| ৬ | CDN (যেমন Cloudflare) | মাঝারি | মাঝারি |
| ৭ | Hosting upgrade / PHP version হালনাগাদ | বেশি (server ধীর হলে) | মাঝারি |
১. ছবি
বেশিরভাগ shop-এ সবচেয়ে সহজ জয় এখানেই। ছবি সঠিক মাপে resize করে WebP-তে convert করার পূর্ণ পদ্ধতি পাবেন WebP image optimization গাইডে। আর প্রথম screen-এর বড় ছবি lazy না করা, বাকিগুলো lazy করা — এর নিয়ম আছে lazy loading লেখায়।
২. Cache
Page cache থাকলে server প্রতিবার PHP ও database চালিয়ে page বানায় না, আগের তৈরি HTML দিয়ে দেয়। LiteSpeed server-এ LiteSpeed Cache, অন্য server-এ WP Rocket বা W3 Total Cache-এর মতো plugin ব্যবহার হয়। WooCommerce-এ cart, checkout ও my-account page cache থেকে বাদ রাখতে হয় — ভালো cache plugin এটা নিজেই করে, তবু একবার যাচাই করুন।
৩. Script ও plugin-এর ভার কমানো
একটা তালিকা বানান: কোন script/plugin কী কাজ করে, আর গত ৩ মাসে আপনি সেটার data আসলে ব্যবহার করেছেন কিনা। Heatmap tool চালু করে কখনো দেখেননি? সরিয়ে দিন। Meta Pixel আর GTM-এর মাধ্যমে একই Pixel দুবার লোড হচ্ছে? একটা রাখুন। Chat widget প্রথমেই লোড না করে user interaction-এর পরে লোড করা যায় কিনা developer-কে জিজ্ঞেস করুন।
৪. Font
Bangla font-এর file অনেক সময় বড় হয়। একটা Bangla ও একটা English family, আর ২–৩টা weight (regular, bold) সাধারণত যথেষ্ট। Font নিজের server-এ রাখুন (self-host), WOFF2 format ব্যবহার করুন, আর CSS-এ font-display: swap দিন যাতে font আসার আগেই text দেখা যায়।
ধাপে ধাপে: WordPress/WooCommerce
- 1পুরো site-এর backup নিন; সম্ভব হলে staging copy-তে আগে পরীক্ষা করুন।
- 2PSI-তে home, একটা category ও একটা product page test করুন (mobile) — score, LCP ও প্রধান পরামর্শ একটা sheet-এ লিখুন।
- 3ছবি optimize করুন (resize + WebP) এবং LCP ছবিতে lazy loading নেই তা নিশ্চিত করুন।
- 4একটা cache plugin চালু করুন; cart/checkout/my-account বাদ আছে কিনা দেখুন।
- 5Plugin তালিকা পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয়গুলো deactivate ও delete করুন।
- 6Tracking script-এর duplicate সরান (যেমন একই Pixel দুবার)।
- 7Font family ও weight কমান, self-host করুন।
- 8Hosting panel থেকে PHP version সমর্থিত সর্বশেষ stable version-এ নিন (আগে plugin compatibility দেখে)।
- 9প্রতিটা বড় পরিবর্তনের পর cache clear করে test করুন এবং একটা test order দিয়ে checkout যাচাই করুন।
Custom site (Laravel)-এর জন্য
Laravel site-এ নিয়ন্ত্রণ বেশি, তাই সঠিকভাবে বানালে খুব দ্রুত হতে পারে। Developer-এর সাথে এই তালিকা মিলিয়ে নিন:
- Production cache:
php artisan config:cache,route:cache,view:cache; server-এ OPcache চালু। - Database: N+1 query এড়াতে eager loading (
with()), দরকারি column-এ index, ভারী query-র ফল Redis বা file cache-এ রাখা। - Queue: order confirmation SMS/email, courier API call-এর মতো কাজ queue-তে পাঠান, যাতে checkout-এর response দেরি না হয়।
- Frontend build: Vite দিয়ে minified CSS/JS, অপ্রয়োজনীয় library বাদ; বড় jQuery plugin-এর বদলে হালকা বিকল্প।
- ছবি: upload-এর সময় resize + WebP, একাধিক size।
- HTTP: gzip/brotli compression, static file-এ দীর্ঘ cache header, CDN।
WooCommerce নাকি custom Laravel — কোনটা আপনার ব্যবসার জন্য ঠিক, speed সহ বিভিন্ন দিক থেকে তুলনা পাবেন WooCommerce vs Laravel for eCommerce in Bangladesh লেখায়।
সাধারণ ভুলগুলো
এখন কী করবেন
আজ আপনার ৩টা গুরুত্বপূর্ণ URL-এর PSI ফলাফল একটা sheet-এ লিখে রাখুন — এটাই আপনার baseline। তারপর উপরের অগ্রাধিকার তালিকা থেকে এক এক করে কাজ করুন, প্রতিটার পর আবার মাপুন। Site এখনো ধীর থাকলে এবং কারণ বুঝতে না পারলে ধীর e-commerce website: কারণ ও সমাধান লেখায় সমস্যা নির্ণয়ের পুরো checklist পাবেন।
Checklist: PageSpeed Optimization: Online Shop দ্রুত করার ব্যবহারিক গাইড

