কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার মানে আপনার ব্যবসার ভাউচার, অনুমোদন, ব্রাঞ্চ ও রিপোর্টের নিয়ম মেনে শুরু থেকে বানানো একটি অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম। যদি রেডিমেড সফটওয়্যারে আপনার কাজ চলে যায়, তাহলে সেটাই সহজ ও দ্রুত; কিন্তু নিজস্ব ওয়ার্কফ্লো, ওয়েবসাইট/POS-এর সাথে অটো হিসাব বা বিশেষ রিপোর্ট লাগলে কাস্টম ডেভেলপমেন্ট বেশি উপযোগী। EOMS BD Laravel ও Next.js দিয়ে এই সফটওয়্যার বানায় এবং সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস ও অ্যাক্সেস আপনাকে হস্তান্তর করে।
- মডিউল: চার্ট অব অ্যাকাউন্টস, ভাউচার, লেজার, ট্রায়াল ব্যালান্স, লাভ-ক্ষতি, ব্যালান্স শিট, স্টক, ডিউ, পে-রোল, মাল্টি-ব্রাঞ্চ।
- পেমেন্ট: তিন কিস্তি — প্রতিটি ধাপের কাজ ডেমো লিংকে দেখে পরের কিস্তি।
- মালিকানা: সোর্স কোড, ডাটাবেস ও হোস্টিং আপনার নামে, লিখিতভাবে; কোনো vendor lock-in নেই।
- সাপোর্ট: লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট ও ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স।
- খরচ: মডিউল ও চাহিদা বুঝে লিখিত, লাইন-বাই-লাইন কোটেশন; কোনো লুকানো চার্জ নেই।
কখন কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার দরকার — রেডিমেড বনাম কাস্টম
সংক্ষেপে: আপনার হিসাবের নিয়ম যদি সাধারণ হয়, রেডিমেড সফটওয়্যারই যথেষ্ট; আর ব্যবসার প্রক্রিয়া যদি এমন হয় যে সফটওয়্যারের সাথে মানিয়ে নিতে গিয়ে প্রতিদিন Excel-এ আলাদা হিসাব রাখতে হয়, তখন কাস্টম সফটওয়্যার বানানো যুক্তিসঙ্গত।
অনেক ব্যবসা একটি রেডিমেড সফটওয়্যার কিনে কিছুদিন পর দেখে যে তাদের নিজস্ব ভাউচার অনুমোদন, ব্রাঞ্চভিত্তিক হিসাব বা বিশেষ ধরনের রিপোর্ট সেখানে নেই। তখন কর্মীরা সফটওয়্যারের বাইরে খাতা বা Excel-এ কাজ চালান, আর আসল উদ্দেশ্য — এক জায়গায় নির্ভুল হিসাব — হারিয়ে যায়।
| বিষয় | রেডিমেড ক্লাউড সফটওয়্যার | কাস্টম ডেভেলপমেন্ট |
|---|---|---|
| শুরু করার সময় | প্রায় সাথে সাথেই ব্যবহার শুরু | চাহিদা বিশ্লেষণ, ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের পর |
| ওয়ার্কফ্লো | সফটওয়্যার যেভাবে বানানো, সেভাবে কাজ করতে হয় | আপনার প্রক্রিয়া অনুযায়ী সফটওয়্যার বানানো হয় |
| রিপোর্ট | নির্দিষ্ট রিপোর্ট সেট | আপনার ও আপনার হিসাবরক্ষকের চাওয়া ফরম্যাটে |
| ইন্টিগ্রেশন | যা আগে থেকে আছে | আপনার ওয়েবসাইট, POS বা অন্য সিস্টেমের সাথে |
| সোর্স কোড | সাধারণত প্রোভাইডারের | সম্পূর্ণ আপনার |
| উপযুক্ত কাদের জন্য | সাধারণ ট্রেডিং বা ছোট ব্যবসা | নিজস্ব নিয়ম, একাধিক ব্রাঞ্চ বা বিশেষ ইন্টিগ্রেশন যাদের লাগে |
রেডিমেড সমাধান খুঁজলে EOMS-এর নিজস্ব রেডি ক্লাউড অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার দেখে নিন। এই পেজটি তাদের জন্য, যারা নিজের ব্যবসার জন্য আলাদা করে সফটওয়্যার বানাতে চান।
কাস্টম সফটওয়্যার সাধারণত বেছে নেওয়া হয় যখন:
- প্রতিটি ভাউচার বা খরচ একাধিক ধাপে অনুমোদন (যেমন ম্যানেজার, তারপর মালিক) হওয়া দরকার।
- একাধিক ব্রাঞ্চ বা প্রতিষ্ঠানের হিসাব আলাদা রেখে একসাথে কনসোলিডেটেড রিপোর্ট দরকার।
- ওয়েবসাইট বা POS-এর বিক্রি হাতে না তুলে অটোমেটিক হিসাবে যোগ হওয়া দরকার।
- ব্যবসার ধরন অনুযায়ী বিশেষ হিসাব — যেমন প্রজেক্টভিত্তিক খরচ, কমিশন বা কিস্তি আদায় — রাখতে হয়।
কোন কোন মডিউল বানানো যায়
সংক্ষেপে: একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব সফটওয়্যারে ডাবল-এন্ট্রি অ্যাকাউন্টিংয়ের মূল অংশ থাকে, আর তার সাথে আপনার প্রয়োজনমতো বিক্রি, ক্রয়, স্টক, পে-রোল বা ব্রাঞ্চ মডিউল যোগ করা হয়। সব মডিউল প্রথম দিনেই লাগবে এমন নয়।
| মডিউল | কী কাজ করে |
|---|---|
| চার্ট অব অ্যাকাউন্টস | আপনার ব্যবসার হিসাবের খাতগুলোর কাঠামো — সম্পদ, দায়, আয়, ব্যয় |
| ভাউচার | জার্নাল, পেমেন্ট, রিসিপ্ট ও কন্ট্রা ভাউচার এন্ট্রি |
| লেজার ও বই | জেনারেল লেজার, ক্যাশ বুক, ব্যাংক বুক, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন |
| ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট | ট্রায়াল ব্যালান্স, লাভ-ক্ষতি হিসাব, ব্যালান্স শিট |
| বিক্রি ও ক্রয় | ইনভয়েস, পারচেজ, কাস্টমার ও সাপ্লায়ারের ডিউ |
| স্টক / ইনভেন্টরি | পণ্যের মজুদ ও স্টক ভ্যালুয়েশন |
| খরচ ও পে-রোল | খাতভিত্তিক খরচ, কর্মীদের বেতন হিসাব |
| VAT রিপোর্ট | বিক্রি ও ক্রয়ের VAT সংক্রান্ত রিপোর্ট (নিচে বিস্তারিত) |
| মাল্টি-ব্রাঞ্চ ও পারমিশন | ব্রাঞ্চভিত্তিক হিসাব, রোলভিত্তিক অ্যাক্সেস ও অডিট লগ |
| এক্সপোর্ট ও ভাষা | Excel/PDF এক্সপোর্ট, বাংলা ও ইংরেজি ইন্টারফেস |
সব মডিউল একবারে বানাতে হবে এমন নয়। অনেক ব্যবসা প্রথম ধাপে ভাউচার, লেজার ও মূল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট দিয়ে শুরু করে, তারপর স্টক, পে-রোল বা ব্রাঞ্চ যোগ করে। শুরুতেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা জানালে ডাটাবেসের কাঠামো সেভাবে বানানো হয়, ফলে পরে নতুন মডিউল যোগ করতে পুরনো কাজ ভাঙতে হয় না।
স্টক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলে ইনভেন্টরি ও অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার পেজটিও কাজে লাগবে।
"আপনার ব্যবসার নিয়মে" মানে বাস্তবে কী
সংক্ষেপে: কাস্টম সফটওয়্যারে ভাউচার নম্বরের ধরন, অনুমোদনের ধাপ, কে কী দেখতে পারবেন, কোন রিপোর্ট কোন ফরম্যাটে আসবে — এসব আপনার প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী ঠিক করা হয়।
কয়েকটি সাধারণ উদাহরণ:
- অনুমোদন প্রক্রিয়া: কর্মী খরচের এন্ট্রি দেবেন, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার যাচাই করবেন, মালিক অনুমোদন দিলে তবেই সেটি লেজারে পোস্ট হবে।
- রোল ও পারমিশন: ক্যাশিয়ার শুধু রিসিপ্ট দিতে পারবেন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শুধু নিজের ব্রাঞ্চের রিপোর্ট দেখবেন; প্রতিটি পরিবর্তন অডিট লগে থাকবে।
- ওয়েবসাইট ও POS ইন্টিগ্রেশন: অনলাইন অর্ডার বা দোকানের বিক্রি হলে ইনভয়েস, স্টক ও লেজার নিজে থেকেই আপডেট হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পাবেন ওয়েবসাইটের অর্ডার থেকে স্বয়ংক্রিয় হিসাব পেজে।
- নিজস্ব রিপোর্ট: প্রজেক্টভিত্তিক লাভ-ক্ষতি, সেলসম্যানভিত্তিক বিক্রি বা মাসশেষের ম্যানেজমেন্ট রিপোর্ট — যে ফরম্যাটে আপনি সিদ্ধান্ত নেন।
শুরুতে আমরা আপনার বর্তমান খাতা, Excel ফাইল বা পুরনো সফটওয়্যারের রিপোর্ট দেখে বুঝি কোথায় সময় নষ্ট হচ্ছে, তারপর সেই অনুযায়ী মডিউলের তালিকা প্রস্তাব করি।
VAT ও ট্যাক্স রিপোর্ট — কী বানানো যায়, কী যাচাই করবেন
সংক্ষেপে: সফটওয়্যারে বিক্রি-ক্রয়ের VAT হিসাব ও রিপোর্ট বানানো যায়, তবে রিপোর্টের ফরম্যাট ও হিসাবের নিয়ম আপনার হিসাবরক্ষক বা ট্যাক্স পরামর্শকের সাথে মিলিয়ে ঠিক করা উচিত।
VAT ও ট্যাক্সের নিয়ম সময়ের সাথে বদলায় এবং ব্যবসার ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। তাই আমরা আপনার ও আপনার হিসাবরক্ষকের দেওয়া নিয়ম ও ফরম্যাট অনুযায়ী রিপোর্ট বানাই; সফটওয়্যার নিজে আইনি বা ট্যাক্স পরামর্শ দেয় না।
VAT রিটার্ন বা অন্য কোনো সরকারি রিপোর্টের বর্তমান নিয়ম ও ফরম্যাট জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) থেকে বা আপনার হিসাবরক্ষকের মাধ্যমে যাচাই করে নিন। নিয়ম বদলালে সফটওয়্যারের রিপোর্টও সেই অনুযায়ী আপডেট করা যায় — নতুন কাজ হলে আগে থেকে দাম জানিয়ে করা হয়।
VAT-কেন্দ্রিক রেডিমেড সমাধান সম্পর্কে জানতে VAT অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার পেজটি দেখতে পারেন।
কীভাবে তৈরি হয় — ধাপে ধাপে
সংক্ষেপে: চাহিদা বোঝা, লিখিত কোটেশন, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, ডেমোতে টেস্ট, ডেটা স্থানান্তর ও ট্রেনিং — প্রতিটি ধাপের কাজ আপনি ডেমো লিংকে নিজে দেখে তারপর পরের কিস্তি দেন।
- চাহিদা বিশ্লেষণ: আপনার বর্তমান হিসাবপদ্ধতি, ব্রাঞ্চ, ইউজার, রিপোর্ট ও ইন্টিগ্রেশনের তালিকা।
- লিখিত কোটেশন: প্রতিটি মডিউল ও কাজ লাইন-বাই-লাইন, প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর খরচ আলাদা করে।
- অগ্রিম কিস্তি ও ডিজাইন: ড্যাশবোর্ড ও মূল স্ক্রিনের ডিজাইন ডেমো লিংকে দেখানো হয়; আপনার অনুমোদনের পর দ্বিতীয় কিস্তি।
- ডেভেলপমেন্ট: মডিউলগুলো তৈরি হয় এবং ধাপে ধাপে ডেমোতে যোগ হয়।
- অ্যাডমিন প্যানেল ও মডিউল সম্পন্ন: আপনি নমুনা এন্ট্রি দিয়ে রিপোর্ট মিলিয়ে দেখেন; সম্পন্ন হলে তৃতীয় কিস্তি।
- ডেটা স্থানান্তর: ওপেনিং ব্যালান্স, কাস্টমার-সাপ্লায়ার ও পণ্যের তালিকা Excel বা পুরনো সফটওয়্যার থেকে আনা (চাহিদা অনুযায়ী)।
- ট্রেনিং ও লাইভ: আপনার কর্মীদের ব্যবহার শেখানো, তারপর আপনার নিজের হোস্টিংয়ে লাইভ ও সম্পূর্ণ হস্তান্তর।
কাজের সময় নির্ভর করে মডিউলের সংখ্যা, ইন্টিগ্রেশন এবং আপনার দিক থেকে তথ্য ও অনুমোদন কত দ্রুত আসে তার উপর। আনুমানিক সময়সূচি কোটেশনেই লেখা থাকে।
শুরু করতে আপনার কাছ থেকে যা লাগবে
- বর্তমান চার্ট অব অ্যাকাউন্টস বা হিসাবের খাতগুলোর তালিকা (খাতা বা Excel যেভাবে আছে)।
- যে রিপোর্টগুলো আপনি নিয়মিত দেখেন বা হিসাবরক্ষককে দেন, তার নমুনা।
- কে কে সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন এবং কার কী অনুমতি থাকবে তার তালিকা।
- ব্রাঞ্চ, গুদাম বা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।
- যে সিস্টেমগুলোর সাথে যুক্ত করতে চান — যেমন ওয়েবসাইট বা POS।
- ডেমো দেখে মতামত দেওয়ার জন্য একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি।
সোর্স কোড, ডেটা ও মালিকানা
সংক্ষেপে: হিসাবের ডেটা ব্যবসার সবচেয়ে সংবেদনশীল তথ্য, তাই সফটওয়্যারের সোর্স কোড, ডাটাবেস, হোস্টিং ও সব অ্যাক্সেস আপনার নামে থাকে — এটি কোটেশন ও চুক্তিতে লিখিত থাকে।
- হোস্টিং আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে; কেনার আগে প্রোভাইডার ও প্যাকেজের স্পেসিফিকেশন জানানো হয়।
- ডোমেইন বা সাব-ডোমেইন আপনার নাম ও ইমেইলে।
- সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব লগইন হস্তান্তর।
- প্রতিদিন ব্যাকআপ এবং ফ্রি SSL।
- পরে অন্য ডেভেলপার দিয়ে কাজ করাতে চাইলে কোনো বাধা নেই — কোনো vendor lock-in নেই।
ডেটার মালিকানা কেন জরুরি এবং হস্তান্তরের সময় কী কী বুঝে নেবেন, তা বিস্তারিত আছে সোর্স কোড ও ডেটার মালিকানাসহ হিসাব সফটওয়্যার পেজে।
টেকনোলজি, সাপোর্ট ও খরচ যেভাবে ঠিক হয়
সংক্ষেপে: সফটওয়্যারটি Laravel (ব্যাকএন্ড ও REST API), Next.js/React (ফ্রন্টএন্ড), MySQL ও Redis দিয়ে বানানো হয়, আর খরচ ঠিক হয় আপনার মডিউল ও চাহিদা বুঝে লিখিত কোটেশনে।
এই টেকনোলজিগুলো বহুল ব্যবহৃত, তাই ভবিষ্যতে যেকোনো দক্ষ ডেভেলপার কোডটি বুঝে কাজ করতে পারবেন। REST API থাকায় পরে মোবাইল অ্যাপ বা অন্য সিস্টেমের সাথে যুক্ত করাও সহজ হয়।
- সাপোর্ট: লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স (বাগ মানে বিদ্যমান কোনো ফিচারে সমস্যা)।
- মেইনটেন্যান্স: বাৎসরিক মেইনটেন্যান্স ঐচ্ছিক — শুধু EOMS সার্ভার দেখাশোনা করলে; না নিলেও সফটওয়্যার চলবে।
- নতুন ফিচার: কাজের পরিধি অনুযায়ী দাম, কাজ শুরুর আগেই লিখিতভাবে ঠিক করা হয়।
কোন বিষয়গুলো খরচ বাড়ায় বা কমায়, তা জানতে পড়ুন হিসাব সফটওয়্যার বানাতে খরচ কিসের উপর নির্ভর করে।
EOMS BD-এর ১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা এবং ১৩ বছর সৌদি আরবে Head of IT হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা আছে; USA, UK ও মালয়েশিয়ায় ক্লায়েন্ট এবং বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চলছে। আপনার বর্তমান হিসাবের খাতা বা Excel ফাইলের নমুনা পাঠান — মডিউলের প্রস্তাব ও লিখিত কোটেশন দেব। WhatsApp: +880 1784-222255, ইমেইল: info@eomsbd.com।
আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
রেডিমেড সফটওয়্যার না কিনে কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার কেন বানাব?
রেডিমেড সফটওয়্যারে আপনার কাজ চলে গেলে সেটাই সহজ। কিন্তু নিজস্ব অনুমোদন প্রক্রিয়া, একাধিক ব্রাঞ্চ, বিশেষ রিপোর্ট বা ওয়েবসাইট/POS থেকে অটো হিসাব লাগলে কাস্টম সফটওয়্যার আপনার নিয়মে বানানো যায়, আর সোর্স কোডও আপনার থাকে।
কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার বানাতে কত খরচ হবে?
খরচ নির্ভর করে মডিউল, ইউজার ও ব্রাঞ্চের সংখ্যা, ইন্টিগ্রেশন, ডেটা স্থানান্তর ও ট্রেনিংয়ের উপর। চাহিদা বুঝে আমরা লাইন-বাই-লাইন লিখিত কোটেশন দিই, যেখানে প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর খরচ আলাদা লেখা থাকে এবং কোনো লুকানো চার্জ থাকে না।
কিস্তিতে পেমেন্ট করা যাবে কি?
হ্যাঁ, তিন কিস্তিতে: অগ্রিম, ডিজাইন অনুমোদনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল ও মডিউল সম্পন্ন হলে। প্রতিটি ধাপের কাজ ডেমো লিংকে দেখে ও টেস্ট করে তারপর পরের কিস্তি দেন।
সফটওয়্যারে কি VAT রিপোর্ট পাওয়া যাবে?
VAT সংক্রান্ত রিপোর্ট বানানো যায়, তবে ফরম্যাট ও নিয়ম আপনার হিসাবরক্ষকের সাথে মিলিয়ে ঠিক করা হয়। বর্তমান নিয়ম NBR বা আপনার ট্যাক্স পরামর্শকের কাছ থেকে যাচাই করে নিন; সফটওয়্যার আইনি পরামর্শের বিকল্প নয়।
আমার পুরনো Excel বা সফটওয়্যারের ডেটা কি নতুন সফটওয়্যারে আনা যাবে?
সাধারণত ওপেনিং ব্যালান্স, কাস্টমার-সাপ্লায়ার ও পণ্যের তালিকা Excel বা পুরনো সফটওয়্যারের এক্সপোর্ট থেকে আনা যায়। ডেটা কতটা গোছানো তার উপর কাজের পরিমাণ নির্ভর করে, তাই এটি কোটেশনে আলাদা লাইন হিসেবে থাকে।
সোর্স কোড ও ডেটা কি আমার নামে থাকবে?
হ্যাঁ। হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে, আর সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব লগইন আপনাকে হস্তান্তর করা হয়। এটি কোটেশন ও চুক্তিতে লিখিত থাকে, এবং পরে অন্য ডেভেলপারের কাছে যেতে কোনো বাধা নেই।
লঞ্চের পর সাপোর্ট কতদিন পাব?
লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স পাবেন। নতুন ফিচার লাগলে কাজ শুরুর আগেই দাম জানিয়ে করা হয়।