সোর্স কোড ও ডেটার মালিকানাসহ হিসাব সফটওয়্যার মানে সম্পূর্ণ কোড, ডাটাবেস, হোস্টিং, ডোমেইন ও সব লগইন আপনার নামে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা, যাতে ডেভেলপার বা সফটওয়্যার বদলালেও আপনার আর্থিক ইতিহাস হারায় না। EOMS BD কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার এই শর্তে তৈরি করে এবং তা কোটেশন ও চুক্তিতে লিখে দেয়।
- সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস ও অ্যাডমিন প্যানেল হস্তান্তর
- হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে, ডোমেইন আপনার নামে
- প্রতিদিনের ব্যাকআপ এবং Excel/PDF-এ রিপোর্ট এক্সপোর্ট
- রোল পারমিশন ও অডিট লগ — কে কী করছে আপনি দেখবেন
- অন্য ডেভেলপার বা সার্ভারে যেতে কোনো বাধা নেই
হিসাবের ডেটার মালিকানা কেন সবচেয়ে জরুরি
হিসাব সফটওয়্যারের ডেটা মানে আপনার ব্যবসার পুরো আর্থিক ইতিহাস — বিক্রয়, ক্রয়, পাওনা-দেনা, স্টক, বেতন ও ব্যাংক লেনদেন। এই ডেটা যদি অন্য কারো নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে আপনার ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডও তাদের হাতে।
ওয়েবসাইট বন্ধ হলে নতুন করে বানানো যায়, কিন্তু কয়েক বছরের হিসাবের রেকর্ড হারালে তা আর ফেরত আনা যায় না। এই ডেটা লাগে অডিটে, ব্যাংক লোনের আবেদনে, পার্টনারের সাথে হিসাব মেলাতে, কর সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এবং ব্যবসা বিক্রি বা হস্তান্তরের সময়।
- আইনি প্রয়োজন: ব্যবসার হিসাবের রেকর্ড সাধারণত নির্দিষ্ট কয়েক বছর সংরক্ষণ করতে হয় — প্রযোজ্য বর্তমান মেয়াদ আপনার হিসাবরক্ষক বা NBR-এর নিয়ম থেকে যাচাই করুন।
- ধারাবাহিকতা: সফটওয়্যার বা ডেভেলপার বদলালেও আগের বছরের ব্যালান্স ও লেনদেন হাতে থাকতে হবে।
- গোপনীয়তা: কাস্টমার, সাপ্লায়ার ও বেতনের তথ্য কে দেখতে পারবে, তা আপনার সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
- দর-কষাকষির ক্ষমতা: ডেটা আপনার হাতে থাকলে সাপোর্ট বা দাম নিয়ে কোনো পক্ষের কাছে আটকে থাকতে হয় না।
মালিকানা বলতে ঠিক কী কী আপনার নামে থাকবে
পূর্ণ মালিকানা মানে সোর্স কোড, ডাটাবেস, সার্ভার/হোস্টিং, ডোমেইন এবং সব অ্যাডমিন ও সার্ভার লগইন — প্রতিটি আপনার নামে বা আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকা। একটিও যদি অন্যের অ্যাকাউন্টে থাকে, মালিকানা অসম্পূর্ণ।
| অংশ | কার নামে/নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত | কেন জরুরি |
|---|---|---|
| সোর্স কোড | সম্পূর্ণ কোড আপনাকে হস্তান্তর, পরিবর্তনের অধিকারসহ | অন্য যেকোনো ডেভেলপার পরে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন |
| ডাটাবেস | আপনার সার্ভারে, যেকোনো সময় এক্সপোর্টযোগ্য | সব লেনদেন ও রিপোর্টের মূল উৎস |
| হোস্টিং/সার্ভার | আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে কেনা | সার্ভার বন্ধ বা অ্যাক্সেস আটকে দেওয়ার ঝুঁকি থাকে না |
| ডোমেইন/সাবডোমেইন | আপনার নাম ও ইমেইলে রেজিস্টার্ড | সফটওয়্যারের ঠিকানা আপনার নিয়ন্ত্রণে |
| অ্যাডমিন ও সার্ভার লগইন | মাস্টার অ্যাক্সেস আপনার কাছে | কে ঢুকবে, কে ঢুকবে না — আপনি ঠিক করবেন |
| ব্যাকআপ | আপনি নিজে ডাউনলোড করতে পারবেন | দুর্ঘটনায় ডেটা ফেরত আনার নিশ্চয়তা |
একই নীতি ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য — বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইটের মালিকানা কার গাইডটি পড়ুন।
ভেন্ডর লক-ইন কীভাবে হয় — রেডিমেড বনাম কাস্টম
ভেন্ডর লক-ইন হয় যখন সফটওয়্যার ছেড়ে যেতে চাইলে ডেটা, ইতিহাস বা কাজের ধারা হারানোর ভয় থাকে। রেডিমেড সাবস্ক্রিপশন সফটওয়্যার অনেক ব্যবসার জন্য ভালো সমাধান, তবে মালিকানার দিক থেকে পার্থক্যটা জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
| বিষয় | রেডিমেড সাবস্ক্রিপশন সফটওয়্যার | সোর্স কোডসহ কাস্টম সফটওয়্যার |
|---|---|---|
| সোর্স কোড | প্রোভাইডারের; আপনি ব্যবহারের অনুমতি পান | আপনাকে হস্তান্তর করা হয় |
| ডেটা কোথায় | প্রোভাইডারের সার্ভারে | আপনার নিজের হোস্টিং অ্যাকাউন্টে |
| ডেটা এক্সপোর্ট | প্রোভাইডার যে ফরম্যাট দেয় | পুরো ডাটাবেস ও যেকোনো রিপোর্ট |
| নিজের নিয়মে পরিবর্তন | সাধারণত সীমিত | যেকোনো পরিবর্তন সম্ভব |
| শুরু করার গতি | দ্রুত | ডেভেলপমেন্টের সময় লাগে |
| কাদের জন্য ভালো | সাধারণ চাহিদার ছোট ব্যবসা | নিজস্ব প্রক্রিয়া, শাখা বা ইন্টিগ্রেশন থাকলে |
কাস্টম সফটওয়্যারেও লক-ইন হতে পারে — যদি ডেভেলপার সোর্স কোড না দেন, সার্ভার নিজের অ্যাকাউন্টে রাখেন বা এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করেন যা অন্য কেউ চালাতে পারে না। তাই "কাস্টম" শব্দটিই যথেষ্ট নয়; লিখিত শর্ত দেখে নিন। রেডিমেড সমাধানই আপনার জন্য যথেষ্ট হলে আমাদের ক্লাউড অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার দেখতে পারেন; এই পেজটি কাস্টম ডেভেলপমেন্ট নিয়ে।
মালিকানা না থাকলে বাস্তবে কী সমস্যা হয়
মালিকানার গুরুত্ব সাধারণত বোঝা যায় সমস্যা হওয়ার পর। নিচের পরিস্থিতিগুলো ব্যবসায় প্রায়ই দেখা যায় — প্রতিটির প্রতিকারও সহজ, যদি শুরুতেই শর্ত ঠিক থাকে।
| পরিস্থিতি | যা ঘটে | আগে থেকে যা করলে এড়ানো যায় |
|---|---|---|
| ডেভেলপারের সাথে যোগাযোগ বন্ধ | সার্ভার বা কোড তার কাছে থাকায় সফটওয়্যার আপডেট বা ঠিক করা যায় না | সোর্স কোড ও সার্ভার আপনার অ্যাকাউন্টে, লগইন আপনার কাছে |
| হোস্টিং রিনিউ হয়নি | অন্যের অ্যাকাউন্টে থাকা সার্ভার মেয়াদ শেষে বন্ধ, ডেটা ঝুঁকিতে | হোস্টিং আপনার নামে, রিনিউয়ের নোটিশ আপনার ইমেইলে |
| স্টাফ চাকরি ছেড়ে গেলেন | একমাত্র অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড তার কাছে ছিল | মাস্টার অ্যাডমিন মালিকের কাছে, স্টাফের জন্য আলাদা রোল |
| সফটওয়্যার বদলাতে চান | পুরনো ডেটা বের করার উপায় নেই বা অসম্পূর্ণ | পুরো ডাটাবেস এক্সপোর্টের অধিকার ও নিয়মিত এক্সপোর্ট |
| অডিট বা লোনের জন্য পুরনো রিপোর্ট দরকার | আগের বছরের রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায় না | বছর শেষে রিপোর্ট সংরক্ষণ ও সার্ভারের বাইরে ব্যাকআপ |
এই প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্যার মূল একটাই: গুরুত্বপূর্ণ কোনো অংশ অন্যের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাই সফটওয়্যার বেছে নেওয়ার সময় ফিচারের পাশাপাশি এই প্রশ্নগুলোও করুন — কোড কার, সার্ভার কার, ডেটা বের করব কীভাবে।
ব্যাকআপ ও ডেটা এক্সপোর্ট — ডেটা নিজের হাতে রাখার নিয়ম
মালিকানা কাগজে থাকলেই হবে না; নিয়মিত ব্যাকআপ ও এক্সপোর্টের অভ্যাস থাকলে তবেই ডেটা সত্যিকার অর্থে আপনার হাতে থাকে।
- প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয় ডাটাবেস ব্যাকআপ, যা আপনি নিজে ডাউনলোড করতে পারবেন
- মাসে অন্তত একবার একটি কপি সার্ভারের বাইরে (নিজের কম্পিউটার বা ক্লাউড ড্রাইভে) রাখা
- লেজার, ট্রায়াল ব্যালেন্স, লাভ-ক্ষতি, ব্যালান্স শিট ও স্টক রিপোর্ট Excel/PDF-এ এক্সপোর্ট
- বছর শেষে (ক্লোজিংয়ের পর) পুরো বছরের রিপোর্ট আলাদা করে সংরক্ষণ
- মাঝে মাঝে ব্যাকআপ থেকে রিস্টোর পরীক্ষা করে দেখা, যাতে প্রয়োজনের দিন সমস্যা না হয়
ব্যাকআপ শুধু সফটওয়্যারের ভেতরে থাকলে সার্ভার সমস্যায় সেটাও হারাতে পারে। "৩ জায়গায় কপি" নিয়মটি মনে রাখুন: সার্ভারে, অফিসের কম্পিউটারে এবং একটি আলাদা ক্লাউড স্টোরেজে।
অ্যাক্সেস, পারমিশন ও অডিট লগ
ডেটার মালিকানার আরেকটি দিক হলো কে কী দেখতে ও পরিবর্তন করতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ করা। রোলভিত্তিক পারমিশন ও অডিট লগ এই নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে রাখে।
- রোল পারমিশন: অ্যাকাউন্ট্যান্ট ভাউচার দিতে পারবেন, সেলস স্টাফ শুধু ইনভয়েস, ম্যানেজার রিপোর্ট দেখবেন — প্রতিটি রোল আলাদা।
- শাখাভিত্তিক অ্যাক্সেস: একাধিক শাখা থাকলে প্রত্যেকে শুধু নিজের শাখার ডেটা দেখবেন।
- অডিট লগ: কে কখন কোন এন্ট্রি তৈরি, পরিবর্তন বা মুছেছেন তার রেকর্ড।
- পিরিয়ড লক: হিসাব ক্লোজ করা মাস বা বছরে পরে পরিবর্তন আটকে রাখা (চাহিদা অনুযায়ী)।
- মাস্টার অ্যাডমিন: সর্বোচ্চ অ্যাক্সেস মালিকের কাছে; স্টাফ চলে গেলে সাথে সাথে অ্যাক্সেস বন্ধ।
অডিট লগ শুধু ভুল ধরার জন্য নয়, আস্থার জন্যও কাজে লাগে। পার্টনার, বিনিয়োগকারী বা অডিটর জানতে চাইলে দেখাতে পারবেন কোন এন্ট্রি কে দিয়েছেন এবং পরে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। ভুল এন্ট্রি মুছে না ফেলে সংশোধনী ভাউচার দিয়ে ঠিক করার নিয়ম রাখলে হিসাবের ইতিহাস পরিষ্কার থাকে। কোন রোল কী করতে পারবে তা শুরুতেই আপনার কাজের ধারা অনুযায়ী ঠিক করা হয়, পরে প্রয়োজনে আপনি নিজেই অ্যাডমিন প্যানেল থেকে বদলাতে পারবেন।
চুক্তি বা কোটেশনে কী লিখে নেবেন
মুখের কথায় মালিকানা নিশ্চিত হয় না; নিচের বিষয়গুলো কোটেশন বা চুক্তিতে লিখিত থাকা উচিত। যেকোনো ডেভেলপারের সাথে কাজ করার আগে এই চেকলিস্ট মিলিয়ে নিন।
- সম্পূর্ণ সোর্স কোড হস্তান্তর করা হবে এবং আপনি তা পরিবর্তন বা অন্য ডেভেলপারকে দিতে পারবেন
- ডাটাবেস ও সব ডেটার মালিক আপনি
- হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে কেনা হবে; প্রোভাইডার ও প্যাকেজের বিবরণ কেনার আগে জানানো হবে
- ডোমেইন বা সাবডোমেইন আপনার নামে
- অন্য ডেভেলপার বা সার্ভারে যেতে কোনো বাধা বা বাধ্যতামূলক ফি থাকবে না
- থিম বা প্লাগইন লাইসেন্সের কোনো খরচ নেই, কারণ সিস্টেম কাস্টম
- প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর খরচ আলাদা করে লেখা; ডোমেইন-হোস্টিং রিনিউ সরাসরি প্রোভাইডারকে
- সাপোর্ট ও বাগ ফিক্সের মেয়াদ এবং বাগের সংজ্ঞা
খরচ কিসের উপর নির্ভর করে তা জানতে হিসাব সফটওয়্যারের খরচ পেজটি দেখুন।
হস্তান্তরের সময় কী কী বুঝে নেবেন
চূড়ান্ত কিস্তির পর হস্তান্তর মানে শুধু একটি লগইন পাওয়া নয় — কোড, ডেটা ও প্রতিটি অ্যাক্সেস নিজে পরীক্ষা করে বুঝে নেওয়া।
- সোর্স কোড: সম্পূর্ণ কোড আপনার সার্ভারে ও একটি আলাদা কপি আপনার কাছে।
- ডাটাবেস: পুরো ডাটাবেসের একটি এক্সপোর্ট ফাইল এবং ব্যাকআপ ডাউনলোডের পদ্ধতি।
- লগইন তথ্য: হোস্টিং, সার্ভার, ডাটাবেস, ডোমেইন ও মাস্টার অ্যাডমিন — সব পাসওয়ার্ড বদলে নিজের কাছে রাখুন।
- পুরনো ডেটা যাচাই: আগের সফটওয়্যার বা Excel থেকে আনা ওপেনিং ব্যালান্স মিলিয়ে দেখুন।
- প্রশিক্ষণ: ভাউচার, রিপোর্ট, ইউজার তৈরি ও ব্যাকআপ — আপনার স্টাফ নিজে করে দেখবেন।
- লিখিত শর্ত মিলিয়ে দেখা: কোটেশনে যা লেখা ছিল সব বুঝে পেয়েছেন কি না।
সাধারণ হস্তান্তর চেকলিস্ট পাবেন ওয়েবসাইট হস্তান্তর চেকলিস্ট পেজে।
EOMS BD কীভাবে সাহায্য করে: আমরা কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার তৈরি করি Laravel (ব্যাকএন্ড, REST API), Next.js/React, MySQL ও Redis দিয়ে — প্রচলিত প্রযুক্তি, তাই যেকোনো দক্ষ ডেভেলপার পরে কাজ চালাতে পারেন। হোস্টিং আপনার অ্যাকাউন্টে (প্রোভাইডার ও প্যাকেজের বিবরণ কেনার আগে জানানো হয়), ডোমেইন আপনার নামে; সম্পূর্ণ অ্যাডমিন প্যানেল, সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব লগইন তথ্য হস্তান্তর — লিখিতভাবে, কোনো ভেন্ডর লক-ইন নেই। তিন কিস্তিতে পেমেন্ট (অগ্রিম, হোমপেজ ডিজাইনের পর, এবং অ্যাডমিন প্যানেল সম্পন্ন হলে), প্রতিটি ধাপ ডেমো লিংকে দেখে। লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট, ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স, প্রতিদিনের ব্যাকআপ। WhatsApp: +880 1784-222255।
কোন কোন মডিউল তৈরি করা যায় তা জানতে কাস্টম হিসাব সফটওয়্যার তৈরি পেজটি দেখুন।
আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
সোর্স কোড পেলে কি আমি অন্য ডেভেলপার দিয়ে পরিবর্তন করাতে পারব?
হ্যাঁ। সম্পূর্ণ সোর্স কোড পরিবর্তনের অধিকারসহ হস্তান্তর করা হয়। সিস্টেম Laravel, Next.js/React ও MySQL-এর মতো প্রচলিত প্রযুক্তিতে তৈরি, তাই যেকোনো দক্ষ ডেভেলপার কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।
আমার হিসাবের ডেটা কোথায় থাকবে?
আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে কেনা হোস্টিং বা সার্ভারে। কেনার আগে প্রোভাইডার ও প্যাকেজের বিবরণ জানানো হয়, এবং সার্ভার ও ডাটাবেসের সব লগইন তথ্য আপনার কাছে থাকে।
ব্যাকআপ কীভাবে নেওয়া হয়?
প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ হয় এবং আপনি নিজে তা ডাউনলোড করতে পারেন। পাশাপাশি নিয়মিত একটি কপি সার্ভারের বাইরে রাখার এবং মাঝে মাঝে রিস্টোর পরীক্ষা করার পরামর্শ দিই।
রেডিমেড সাবস্ক্রিপশন সফটওয়্যার কি খারাপ?
না। সাধারণ চাহিদার ছোট ব্যবসার জন্য রেডিমেড সফটওয়্যার দ্রুত ও সুবিধাজনক সমাধান হতে পারে। তবে নিজস্ব প্রক্রিয়া, একাধিক শাখা বা ওয়েবসাইট/POS ইন্টিগ্রেশন দরকার হলে এবং ডেটা নিজের সার্ভারে রাখতে চাইলে কাস্টম সফটওয়্যার বেশি উপযোগী।
হিসাবের রেকর্ড কত বছর রাখতে হয়?
ব্যবসার হিসাবের রেকর্ড সাধারণত নির্দিষ্ট কয়েক বছর সংরক্ষণ করতে হয়, তবে মেয়াদ ব্যবসার ধরন ও প্রযোজ্য আইনের উপর নির্ভর করে। বর্তমান নিয়ম আপনার হিসাবরক্ষক বা NBR থেকে যাচাই করে নিন।
পরে কোনো লুকানো খরচ থাকবে কি?
না। লাইন-বাই-লাইন লিখিত কোটেশনে প্রথম বছর ও পরের বছরগুলোর খরচ আলাদা লেখা থাকে। ডোমেইন-হোস্টিং রিনিউ সরাসরি প্রোভাইডারকে দেন, আর সিস্টেম কাস্টম বলে থিম বা প্লাগইন লাইসেন্সের খরচ নেই। নতুন ফিচারের খরচ কাজের আগে ঠিক করা হয়।
লঞ্চের পর সাপোর্ট কতদিন?
লঞ্চের পর ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট এবং ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স (বিদ্যমান ফিচারের সমস্যা)। চাইলে বছরভিত্তিক মেইনটেন্যান্স নিতে পারেন, তবে তা ঐচ্ছিক — সার্ভার আমরা দেখাশোনা করলে প্রযোজ্য।