EOMS BD-এর ই-কমার্স ওয়েবসাইটে ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার যোগ করলে অ্যাডমিন প্যানেল থেকেই Facebook অ্যাডের জন্য আলাদা অর্ডার পেজ বানানো যায়, কোডার ছাড়া। এটি একটি অ্যাড-অন, দাম ৳১০,০০০; বানানোর জন্য আপনাকে একটি রেফারেন্স ডিজাইন দিতে হয়। একটি সাম্প্রতিক বাস্তব কোটেশনে ওয়েবসাইট (ডোমেইন-হোস্টিংসহ প্রথম বছর ৳৩৮,১০০) ও বিল্ডার মিলিয়ে প্রথম বছরে মোট ৳৪৮,১০০।
- আনলিমিটেড পেজ: Create, Edit, Duplicate, Publish/Unpublish
- পেজেই অর্ডার ফর্ম — অর্ডার যায় একই স্টক ও কুরিয়ার সিস্টেমে
- Meta Pixel ইভেন্ট (PageView থেকে Purchase) আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে
- Duplicate করে সহজে A/B টেস্ট
- সোর্স কোড, ডাটাবেস, ডোমেইন ও হোস্টিংয়ের মালিকানা আপনার
ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার কী, আর Facebook অ্যাডে কেন দরকার
ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার হলো আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন প্যানেলের ভেতরের একটি টুল, যা দিয়ে কোডার ছাড়াই একটি পণ্যের জন্য আলাদা অর্ডার পেজ বানানো যায়। Facebook বা Instagram অ্যাডের ক্লিক সরাসরি এই পেজে পাঠালে কাস্টমার এক পেজেই পণ্যের বিস্তারিত দেখে অর্ডার করতে পারেন।
সাধারণ ওয়েবসাইটে অ্যাড থেকে আসা কাস্টমারকে হোমপেজ, ক্যাটাগরি, প্রোডাক্ট পেজ, কার্ট, চেকআউট — অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয়। প্রতিটি ধাপে কিছু মানুষ চলে যান। একটি সিঙ্গেল-প্রোডাক্ট ল্যান্ডিং পেজে শুধু একটি পণ্য, তার সুবিধা, ছবি/ভিডিও, দাম আর নিচে অর্ডার ফর্ম থাকে। মনোযোগ অন্যদিকে যায় না, তাই অ্যাডের টাকা কাজে লাগানো সহজ হয়।
অনেক উদ্যোক্তা এখন আলাদা ল্যান্ডিং পেজ টুল বা থার্ড-পার্টি পেজ ব্যবহার করেন। সমস্যা হলো, সেখান থেকে আসা অর্ডার আলাদা জায়গায় জমা হয়, স্টক ও কুরিয়ার আলাদাভাবে সামলাতে হয়। বিল্ডার যখন আপনার নিজের ওয়েবসাইটের ভেতরে থাকে, তখন ল্যান্ডিং পেজের প্রতিটি অর্ডার সরাসরি একই অর্ডার লিস্টে আসে — একই স্টক, একই কুরিয়ার বুকিং, একই রিপোর্ট।
কাদের জন্য সবচেয়ে কাজের
- যারা নিয়মিত Facebook/Instagram অ্যাড চালিয়ে একটি বা কয়েকটি পণ্য বিক্রি করেন — গ্যাজেট, কসমেটিকস, হোম অ্যান্ড কিচেন, ফ্যাশন আইটেম।
- যারা প্রতি সপ্তাহে নতুন অফার বা নতুন পণ্য টেস্ট করেন এবং প্রতিবার ডেভেলপারের অপেক্ষায় থাকতে চান না।
- যাদের মূল ওয়েবসাইটে অনেক পণ্য আছে, কিন্তু অ্যাডের জন্য আলাদা ফোকাসড পেজ দরকার।
আপনি যদি এখনো শুধু Facebook পেজের ইনবক্সে অর্ডার নেন, তাহলে ল্যান্ডিং পেজ প্রথম ধাপ হিসেবে ভালো কাজ করে: কাস্টমার নিজেই ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখে দেন, আপনাকে প্রতিটি মেসেজের উত্তর দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় না।
বিল্ডারে কী কী করতে পারবেন
অ্যাডমিন প্যানেল থেকেই আপনি সীমাহীন ল্যান্ডিং পেজ বানাতে, এডিট করতে, ডুপ্লিকেট করতে এবং পাবলিশ বা বন্ধ করতে পারবেন। প্রতিটি নতুন অ্যাড ক্যাম্পেইনের জন্য ডেভেলপারের কাছে যেতে হবে না।
| কাজ | আপনি যা করতে পারবেন |
|---|---|
| Create | নতুন পেজ খুলে পণ্য বেছে নেওয়া, হেডলাইন, ছবি, ভিডিও, সুবিধার লিস্ট ও দাম বসানো |
| Edit | অ্যাড চলার সময়ও লেখা, ছবি, অফার বা দাম বদলানো |
| Duplicate | একটি পেজ কপি করে নতুন অফার বা নতুন পণ্যের জন্য কয়েক মিনিটে আরেকটি পেজ তৈরি |
| Publish / Unpublish | ক্যাম্পেইন শুরু হলে পেজ লাইভ করা, শেষ হলে বন্ধ করা |
| অর্ডার ফর্ম | পেজের ভেতরেই নাম, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, পরিমাণ ও ভ্যারিয়েন্ট বেছে অর্ডার — আলাদা কার্ট পেজ ছাড়াই |
| নিজস্ব URL | প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা লিংক, যা অ্যাডে সরাসরি বসানো যায় |
পেজের সংখ্যা নিয়ে কোনো সীমা নেই। একটি পণ্যের জন্য তিনটি আলাদা অফারের পেজ রাখতে চাইলেও রাখতে পারবেন।
একটি ভালো অর্ডার ল্যান্ডিং পেজে কী থাকা উচিত
ভালো ল্যান্ডিং পেজ ছোট, দ্রুত লোড হয় এবং কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর অর্ডার ফর্মের আগেই দিয়ে দেয়। বিল্ডারের সেকশনগুলো এই কাঠামো মাথায় রেখেই সাজানো হয়।
- স্পষ্ট হেডলাইন: পণ্যটি কী সমস্যা সমাধান করে, এক লাইনে।
- আসল ছবি ও ছোট ভিডিও: মোবাইলে পরিষ্কার দেখা যায় এমন সাইজে।
- সুবিধা ও স্পেসিফিকেশন: সাইজ, ম্যাটেরিয়াল, ব্যবহারের নিয়ম — ছোট পয়েন্টে।
- দাম ও অফার: ডেলিভারি চার্জসহ মোট কত পড়বে তা পরিষ্কারভাবে।
- আস্থার তথ্য: রিটার্ন/এক্সচেঞ্জ নীতি, ক্যাশ অন ডেলিভারি আছে কিনা, যোগাযোগ নম্বর।
- পেজেই অর্ডার ফর্ম: কম ঘর, বড় বাটন, মোবাইলে সহজে টাইপ করা যায়।
- WhatsApp/কল বাটন: যারা অর্ডারের আগে প্রশ্ন করতে চান তাদের জন্য।
স্পিড কেন গুরুত্বপূর্ণ
Facebook অ্যাড থেকে আসা মানুষ সাধারণত মোবাইলে, প্রায়ই ধীর ইন্টারনেটে পেজ খোলেন। পেজ দেরিতে খুললে অনেকে অপেক্ষা না করেই ফিরে যান, অথচ সেই ক্লিকের টাকা আপনি দিয়ে ফেলেছেন। তাই ল্যান্ডিং পেজে কমপ্রেস করা ছবি, হালকা কোড এবং অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিপ্ট বাদ রাখা হয়। আপনি যখন ছবি আপলোড করবেন, খুব বড় ফাইল না দেওয়াই ভালো।
অর্ডার ফর্মের পর কাস্টমারকে কল বা মেসেজে কনফার্ম করার নিয়ম রাখুন। এতে ভুল ঠিকানা ও ফেক অর্ডার কমে। বিস্তারিত: অর্ডার কনফার্মেশন গাইড।
Meta Pixel ইভেন্ট ও অ্যাড ট্র্যাকিং
প্রতিটি ল্যান্ডিং পেজে Meta Pixel ইভেন্ট চালু থাকে, যাতে Facebook জানতে পারে কে পেজ দেখল আর কে অর্ডার করল। এই তথ্য দিয়েই Facebook আপনার অ্যাড সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং আপনি বুঝতে পারেন কোন অ্যাড আসলে অর্ডার আনছে।
| ইভেন্ট | কখন ফায়ার হয় | কী কাজে লাগে |
|---|---|---|
| PageView | কেউ পেজ খুললে | কতজন অ্যাড থেকে পেজে এল |
| ViewContent | পণ্যের তথ্য দেখলে | আগ্রহী মানুষদের রিটার্গেট করা |
| InitiateCheckout | অর্ডার ফর্ম পূরণ শুরু করলে | যারা অর্ডার শেষ করেননি তাদের আবার অ্যাড দেখানো |
| Purchase | অর্ডার সফলভাবে জমা হলে | কোন অ্যাড থেকে কত অর্ডার এল, খরচ প্রতি অর্ডার কত |
Pixel, Google Analytics ও Search Console আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে সেটআপ করা হয়, আমাদের অ্যাকাউন্টে নয়। ভবিষ্যতে অন্য কোনো মার্কেটার বা এজেন্সির সাথে কাজ করলেও আগের সব ডেটা আপনার কাছেই থাকবে। অ্যাড চালানোর কৌশল নিয়ে জানতে পড়ুন ই-কমার্সের জন্য Facebook মার্কেটিং।
ডুপ্লিকেট করে A/B টেস্ট — কোন পেজ বেশি অর্ডার আনে
A/B টেস্ট মানে একই পণ্যের দুটি ভিন্ন পেজ বানিয়ে দেখা কোনটি বেশি অর্ডার আনে। বিল্ডারের Duplicate অপশন দিয়ে এটি খুব সহজে করা যায়।
- যে পেজটি এখন চলছে সেটি Duplicate করুন।
- কপিতে শুধু একটি জিনিস বদলান — যেমন হেডলাইন, প্রথম ছবি, অফার বা দাম দেখানোর ধরন।
- দুই পেজের লিংক দিয়ে Facebook-এ একই বাজেট ও একই অডিয়েন্সে দুটি অ্যাড চালান।
- যথেষ্ট ভিজিটর আসার পর Ads Manager-এ Purchase ইভেন্ট ও অ্যাডমিনের অর্ডার লিস্ট মিলিয়ে দেখুন।
- যেটি ভালো করছে সেটি রাখুন, অন্যটি Unpublish করুন, তারপর পরের পরিবর্তন নিয়ে আবার টেস্ট করুন।
একসাথে অনেক কিছু বদলালে বোঝা যায় না কোন পরিবর্তনের কারণে ফল ভালো বা খারাপ হলো। তাই প্রতিবার একটি পরিবর্তন — এটিই মূল নিয়ম। অফারের দাম ঠিক করার আগে লাভ হিসাব করে নিতে পারেন প্রোডাক্ট প্রাইসিং ক্যালকুলেটর দিয়ে।
দাম কত, আর আপনার কাছ থেকে কী লাগবে
ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার একটি অ্যাড-অন, যার দাম ৳১০,০০০। এটি মূল ই-কমার্স ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত হয়, আর বানানোর জন্য আপনাকে একটি রেফারেন্স ডিজাইন দিতে হবে। নিচের হিসাবটি অক্টোবর ২০২৬-এর একটি সাম্প্রতিক বাস্তব কোটেশন থেকে নেওয়া।
| আইটেম | খরচ |
|---|---|
| ই-কমার্স ওয়েবসাইট — EOMS সার্ভিস (ডেভেলপমেন্ট, bKash/Nagad/COD, কুরিয়ার, ডিপ্লয়মেন্ট, SEO সেটআপ) | ৳৩৩,০০০ |
| ডোমেইন ও হোস্টিং (প্রথম বছর, আপনার নামে) | ৳৫,১০০ |
| Search Console, Analytics ও Pixel সেটআপ | ফ্রি (সাধারণত ৳৫,০০০) |
| আনলিমিটেড ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার (অ্যাড-অন) | ৳১০,০০০ |
| প্রথম বছরে মোট | ৳৪৮,১০০ |
দ্বিতীয় বছর থেকে শুধু ডোমেইন (৳১,৮০০) ও হোস্টিং (৳৩,৬০০) রিনিউ — এই টাকা সরাসরি প্রোভাইডারকে যায়। সার্ভার মেইনটেন্যান্স আমাদের দিয়ে করাতে চাইলে বছরে ৳২,০০০, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। পুরো প্যাকেজের লাইন-বাই-লাইন বিস্তারিত দেখুন সোর্স কোডসহ ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্যাকেজ পেজে।
রেফারেন্স ডিজাইন কেন লাগে
আপনার পছন্দের কোনো ল্যান্ডিং পেজের লিংক বা স্ক্রিনশট দিলে আমরা সেই ধাঁচে সেকশনগুলো সাজাই — কোন অংশের পর কোনটি, বাটনের ধরন, রঙের ব্যবহার। এতে আপনার মনের মতো লেআউট পেতে বারবার পরিবর্তন করতে হয় না। মনে রাখবেন, রেফারেন্স মানে ধাঁচ অনুসরণ করা; অন্য কারও লোগো, ছবি বা লেখা হুবহু কপি করা হয় না। ছবি ও লেখা হবে আপনার নিজের পণ্যের।
বিল্ডার আপনাকে পেজ বানানোর স্বাধীনতা দেয়, কিন্তু পেজের লেখা, পণ্যের ছবি ও অফার আপনাকেই ঠিক করতে হবে। পণ্য সম্পর্কে ভুল বা অতিরঞ্জিত দাবি করলে Facebook অ্যাড রিজেক্ট হতে পারে এবং কাস্টমারের আস্থাও কমে।
কাজের ধাপ, মালিকানা ও EOMS BD কীভাবে সাহায্য করে
কাজ শুরুর আগে লিখিত কোটেশন, তারপর ধাপে ধাপে ডেভেলপমেন্ট, আর লঞ্চের দিন সব কিছু আপনার হাতে হস্তান্তর। নির্দিষ্ট সময়সীমা আপনার পণ্যের সংখ্যা ও ফিচারের ওপর নির্ভর করে, তাই কোটেশনের সময়ই তা আলোচনা করে ঠিক করা হয়।
- আলোচনা: WhatsApp-এ আপনার পণ্য, অ্যাড প্ল্যান ও রেফারেন্স ডিজাইন শেয়ার করুন।
- লিখিত কোটেশন: প্রথম বছর ও পরের বছরের সব খরচ লাইন ধরে।
- ডোমেইন ও হোস্টিং: আপনার নাম ও ইমেইলে কেনা হয়; হোস্টিংয়ের লিংক ও CPU/RAM/স্টোরেজ/ব্যান্ডউইথ আগে জানানো হয়।
- ডেভেলপমেন্ট: মূল স্টোর ও ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার, Laravel (latest stable), সর্বশেষ সাপোর্টেড PHP ও MySQL দিয়ে।
- Pixel ও ট্র্যাকিং: আপনার নিজের Meta, Google অ্যাকাউন্টে সংযুক্ত।
- প্রথম ল্যান্ডিং পেজ ও ট্রেনিং: একসাথে একটি পেজ বানিয়ে দেখানো হয়, যাতে পরেরগুলো আপনি নিজেই বানাতে পারেন।
- হস্তান্তর: সম্পূর্ণ সোর্স কোড, ডাটাবেস ও সব লগইন তথ্য।
EOMS BD-এর সাথে যা পাচ্ছেন: ১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চলছে। ডোমেইন, হোস্টিং, সোর্স কোড ও ডাটাবেসের মালিকানা আপনার — কোটেশন/চুক্তিতে লিখিতভাবে। অন্য ডেভেলপার বা সার্ভারে যেতে কোনো বাধা বা বাধ্যতামূলক ফি নেই। ৬ মাস ফ্রি সাপোর্ট, ১ বছর ফ্রি বাগ ফিক্স, ফ্রি SSL এবং প্রতিদিনের ব্যাকআপ ৩০ দিন সংরক্ষণ। পরে নতুন ফিচার লাগলে সাধারণত ৳৫০০–৳৫,০০০, কাজের আগেই দাম জানানো হয়। WhatsApp: +880 1784-222255।
মালিকানার বিষয়গুলো বিস্তারিত বুঝতে পড়ুন ওয়েবসাইটের মালিকানা কার। আমাদের আগের কাজ ও কাস্টমারদের অভিজ্ঞতা দেখতে পারেন নিচের ভিডিওতে।
আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ল্যান্ডিং পেজ বিল্ডার কি আলাদাভাবে কেনা যায়, নাকি ওয়েবসাইটের সাথে লাগবে?
বিল্ডারটি আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন প্যানেলের অংশ, তাই এটি ওয়েবসাইটের সাথে অ্যাড-অন হিসেবে যুক্ত হয়। এতে ল্যান্ডিং পেজের অর্ডার, স্টক ও কুরিয়ার সব এক জায়গায় থাকে। আপনার আগে থেকে ওয়েবসাইট থাকলে WhatsApp-এ বিস্তারিত জানান, আমরা দেখে বলব কীভাবে যুক্ত করা যায়।
কতগুলো ল্যান্ডিং পেজ বানানো যাবে?
পেজের সংখ্যায় কোনো সীমা নেই। প্রতিটি পণ্য বা প্রতিটি অফারের জন্য আলাদা পেজ বানাতে, পুরোনো পেজ ডুপ্লিকেট করতে এবং প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ করে রাখতে পারবেন।
রেফারেন্স ডিজাইন বলতে কী দিতে হবে?
আপনার পছন্দের কোনো ল্যান্ডিং পেজের লিংক বা স্ক্রিনশট দিলেই চলবে। আমরা সেই ধাঁচে সেকশন ও লেআউট সাজাই, তবে অন্য কারও লোগো, ছবি বা লেখা কপি করা হয় না। পেজের ছবি ও লেখা হবে আপনার নিজের পণ্যের।
ল্যান্ডিং পেজে কি bKash, Nagad ও ক্যাশ অন ডেলিভারি থাকবে?
ল্যান্ডিং পেজের অর্ডার আপনার মূল ওয়েবসাইটের অর্ডার সিস্টেমেই যায়, তাই ওয়েবসাইটে যে পেমেন্ট অপশন সেটআপ করা আছে সেগুলোই ব্যবহার করা যায়। সাম্প্রতিক কোটেশনে bKash, Nagad ও ক্যাশ অন ডেলিভারি সেটআপ ওয়েবসাইট প্যাকেজের মধ্যেই ছিল।
Pixel কি আমার নিজের অ্যাকাউন্টে থাকবে?
হ্যাঁ। Meta Pixel, Google Analytics ও Search Console আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে সেটআপ করা হয়। এই সেটআপ সাধারণত ৳৫,০০০ হলেও প্যাকেজে ফ্রি দেওয়া হয়, আর ডেটার মালিকানা সবসময় আপনার।
ল্যান্ডিং পেজ বানাতে কি কোডিং জানতে হবে?
না। পণ্য বেছে নেওয়া, লেখা ও ছবি বসানো, অফার বদলানো এবং পাবলিশ করা সবই অ্যাডমিন প্যানেল থেকে হয়। প্রথম পেজটি আমরা আপনার সাথে বানিয়ে দেখিয়ে দিই, যাতে পরেরগুলো নিজেই বানাতে পারেন।