Home›পণ্য সোর্সিং›মোবাইল এক্সেসরিজ পাইকারি — চার্জার, কভার, ইয়ারফোন
মোবাইল এক্সেসরিজ সোর্সিং

মোবাইল এক্সেসরিজ পাইকারি — চার্জার, কভার, ইয়ারফোন

অল্প পুঁজিতে অনলাইন ব্যবসা শুরুর জন্য মোবাইল এক্সেসরিজ একটি জনপ্রিয় ক্যাটাগরি। কোথা থেকে সোর্স করবেন, মান ও নিরাপত্তা কীভাবে যাচাই করবেন এবং লাভ কীভাবে হিসাব করবেন, এখানে সহজভাবে দেওয়া হলো।

১৫ বছরের ই-কমার্স অভিজ্ঞতা ১৩ বছর সৌদি আরবে Head of IT USA, UK ও মালয়েশিয়ার ক্লায়েন্ট বাংলাদেশে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট
আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ লিখেছে: EOMS BD টিম পড়তে ~7 মিনিট
সংক্ষেপে উত্তর

মোবাইল এক্সেসরিজ (চার্জার, কেবল, কভার, স্ক্রিন প্রটেক্টর, ইয়ারফোন, পাওয়ার ব্যাংক) লোকাল পাইকারি মার্কেট, ইমপোর্টার বা নিজে ইমপোর্ট করে সোর্স করা যায়। নতুনদের জন্য নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার থেকে কম পরিমাণে শুরু করা বা ড্রপশিপিং সবচেয়ে সহজ। EOMS BD সরাসরি সাপ্লায়ারের সাথে ফ্রি যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

  • চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংকে নিরাপত্তা আগে: স্যাম্পল টেস্ট করুন, অতিরঞ্জিত ক্যাপাসিটির দাবি এড়িয়ে চলুন।
  • ওয়্যারলেস পণ্যে BTRC অনুমোদন প্রযোজ্য হতে পারে; বর্তমান নিয়ম যাচাই করুন।
  • নকল ব্র্যান্ড বা কপি পণ্য নয়, আসল বা বৈধ নন-ব্র্যান্ড পণ্য বিক্রি করুন।
  • কম দামের পণ্যে কুরিয়ার ও রিটার্ন খরচ ধরে দাম ঠিক করুন; কম্বো অফারে লাভ বাড়ে।

কোন কোন মোবাইল এক্সেসরিজ পাইকারি পাওয়া যায়?

মোবাইল এক্সেসরিজ বলতে সাধারণত চার্জার ও কেবল, কভার ও কেস, স্ক্রিন প্রটেক্টর, ইয়ারফোন ও ইয়ারবাড, পাওয়ার ব্যাংক এবং হোল্ডার বা স্ট্যান্ডের মতো পণ্য বোঝায়। প্রতিটি ক্যাটাগরির চাহিদা, ঝুঁকি ও যাচাইয়ের বিষয় আলাদা, তাই শুরুতেই ক্যাটাগরি বুঝে নেওয়া দরকার।

এক্সেসরিজের বড় সুবিধা হলো পণ্য ছোট, হালকা এবং প্রায় সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কোনো না কোনো সময় দরকার হয়। তাই অল্প পুঁজিতে অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে অনেকেই এই ক্যাটাগরি বেছে নেন।

ক্যাটাগরিযা যাচাই করবেনঅনলাইনে বিক্রির টিপস
চার্জার ও কেবলআউটপুট লেখা সঠিক কি না, গরম হয় কি না, কেবলের মানকোন ফোনের সাথে মানানসই, তা পরিষ্কার লিখুন
কভার ও কেসমডেল অনুযায়ী সঠিক মাপ, ক্যামেরা কাটআউট, উপাদানপ্রতিটি মডেলের আলাদা ভ্যারিয়েন্ট রাখুন
স্ক্রিন প্রটেক্টরমডেলের সাথে মাপ, কিনারা উঠে যায় কি নালাগানোর নিয়মের ভিডিও দিন
ইয়ারফোন ও ইয়ারবাডসাউন্ড, ব্যাটারি, কানেকশন স্থিতিশীল কি নাআসল ছবি ও ছোট টেস্ট ভিডিও দিন
পাওয়ার ব্যাংকলেখা ক্যাপাসিটি বাস্তবসম্মত কি না, নিরাপত্তা, গরম হওয়াঅতিরঞ্জিত দাবি লিখবেন না
হোল্ডার, স্ট্যান্ড, সেলফি স্টিকমজবুত কি না, জয়েন্ট ও স্ক্রুব্যবহারের ছবি দিয়ে দেখান

শুরুতে সব ক্যাটাগরি না নিয়ে দুই-তিনটি দিয়ে শুরু করুন। যে পণ্যে প্রশ্ন ও অর্ডার বেশি আসে, পরে সেটিতেই স্টক বাড়ান।

মডেলভিত্তিক পণ্যে স্টক সামলানো

কভার, কেস ও স্ক্রিন প্রটেক্টর প্রতিটি ফোন মডেলের জন্য আলাদা, তাই এগুলোর স্টক দ্রুত জটিল হয়ে যায়। কোন মডেলের কত পিস আছে, কোনটি শেষ হয়ে গেছে, তা খাতায় বা স্প্রেডশিটে লিখে রাখুন। ওয়েবসাইটে বিক্রি করলে প্রতিটি পণ্যে "ফোন মডেল" ভ্যারিয়েন্ট রেখে আলাদা স্টক দেখানো যায়, ফলে স্টক শেষ হওয়া মডেলে ভুল করে অর্ডার আসে না। জনপ্রিয় ও চালু মডেলের জন্য বেশি স্টক রাখুন, আর পুরোনো মডেলের জন্য অল্প। ইলেকট্রনিক্স শপ চালানোর অন্যান্য দিক জানতে দেখুন আমাদের ইলেকট্রনিক্স ও গ্যাজেট ই-কমার্স গাইড।

মোবাইল এক্সেসরিজ কোথা থেকে সোর্স করবেন?

মোবাইল এক্সেসরিজ সাধারণত তিন জায়গা থেকে সোর্স করা হয়: লোকাল পাইকারি মার্কেট, দেশের ইমপোর্টার বা ডিস্ট্রিবিউটর, অথবা নিজে বিদেশ থেকে ইমপোর্ট। নতুনদের জন্য ইমপোর্টার বা নির্ভরযোগ্য পাইকারি সাপ্লায়ারের কাছ থেকে শুরু করা সহজ।

  • লোকাল পাইকারি মার্কেট: ঢাকার মোতালেব প্লাজার মতো মোবাইল মার্কেটে সাধারণত অনেক এক্সেসরিজ পাইকারি বিক্রেতা থাকেন। নিজে গিয়ে পণ্য হাতে নিয়ে দেখা যায়, তবে মান বিক্রেতাভেদে আলাদা।
  • ইমপোর্টার / ডিস্ট্রিবিউটর: একই উৎস থেকে নিয়মিত একই মানের পণ্য পাওয়া যায়, আর অনেক সময় নিজস্ব ব্র্যান্ডের প্যাকেজিংয়ের সুযোগও থাকে।
  • নিজে ইমপোর্ট: Alibaba বা 1688-এর মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে বিদেশি ফ্যাক্টরির সাথে যোগাযোগ করা যায়। তবে ট্রেড লাইসেন্স, IRC, শিপিং, কাস্টমস ও অনুমোদনের বিষয়গুলো বুঝে নিতে হয়।

যেখান থেকেই কিনুন, প্রথম অর্ডার ছোট রাখুন। সাপ্লায়ার কতদিন ধরে ব্যবসা করছেন, নিয়মিত একই মানের পণ্য দিতে পারেন কি না, ত্রুটিপূর্ণ পণ্য বদলে দেন কি না এবং ইনভয়েস দেন কি না, এগুলো জেনে নিন। কয়েকবার ঠিকঠাক লেনদেনের পর বড় অর্ডারে যাওয়া নিরাপদ।

নিজে ইমপোর্টের আগে ডিউটি ও প্রক্রিয়ার বর্তমান তথ্য কাস্টমস/NBR থেকে যাচাই করুন, অথবা অভিজ্ঞ C&F এজেন্টের পরামর্শ নিন। সব ক্যাটাগরির সোর্সিং পদ্ধতির তুলনা পাবেন আমাদের পাইকারি পণ্য সোর্সিং হাবে।

চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক ও ব্যাটারির নিরাপত্তা

চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক ও ব্যাটারিযুক্ত পণ্য নিম্নমানের হলে গরম হয়ে যাওয়া, ফোনের ক্ষতি, এমনকি আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে। তাই এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে কম দামের পণ্য খোঁজার চেয়ে নিরাপদ পণ্য খোঁজা বেশি জরুরি।

  • স্যাম্পল টেস্ট: কয়েকটি স্যাম্পল নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চার্জ দিয়ে দেখুন অস্বাভাবিক গরম হয় কি না।
  • লেখা স্পেসিফিকেশন: আউটপুট বা ক্যাপাসিটি যা লেখা আছে, তা বাস্তবসম্মত কি না সাপ্লায়ারকে জিজ্ঞেস করুন। অবিশ্বাস্য রকম বেশি ক্যাপাসিটির দাবি সাধারণত সন্দেহজনক।
  • গায়ে লেখা তথ্য: পণ্যের গায়ে ইনপুট, আউটপুট ও প্রস্তুতকারকের তথ্য আছে কি না দেখুন।
  • প্যাকেজিং ও নির্দেশনা: ব্যবহারের নির্দেশনা ও সতর্কতা আছে কি না দেখুন।
  • কুরিয়ারের নিয়ম: ব্যাটারিযুক্ত পণ্য পাঠানোর বিষয়ে কুরিয়ারের কোনো শর্ত আছে কি না আগে জেনে নিন।

ব্লুটুথ ইয়ারবাড, স্মার্টওয়াচের মতো ওয়্যারলেস পণ্যের আমদানি ও বিক্রিতে সাধারণত BTRC-এর অনুমোদন প্রযোজ্য হতে পারে। আপনার সাপ্লায়ার বৈধভাবে আমদানি করেছেন কি না জেনে নিন, আর বর্তমান নিয়ম BTRC থেকে যাচাই করুন। কিছু পণ্যে BSTI-এর মান সংক্রান্ত নিয়মও থাকতে পারে, সেটিও যাচাই করে নিন।

বিখ্যাত ব্র্যান্ডের নকল চার্জার, কপি ইয়ারবাড বা ভুয়া লোগো লাগানো পণ্য বিক্রি করবেন না। এগুলো আইনত ঝুঁকিপূর্ণ, কাস্টমারের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক এবং পেজের সুনাম নষ্ট করে। আসল ব্র্যান্ডের পণ্য বা নিজের নামে বৈধ নন-ব্র্যান্ড পণ্য বিক্রি করুন।

প্যাকেজিং ও নিজের ব্র্যান্ড

এক্সেসরিজে প্যাকেজিং কাস্টমারের প্রথম ধারণা তৈরি করে। একই মানের পণ্য ভালো প্যাকেজিংয়ে দিলে বেশি পেশাদার মনে হয় এবং ডেলিভারিতে ক্ষতিও কম হয়।

  • রিটেইল বক্স বনাম খোলা পণ্য: পাইকারিতে অনেক পণ্য খোলা বা সাধারণ প্যাকেটে আসে। অনলাইনে বিক্রির জন্য অন্তত পরিষ্কার পলিব্যাগ বা ছোট বক্স রাখুন।
  • নিজস্ব ব্র্যান্ড (প্রাইভেট লেবেল): কিছু ইমপোর্টার বা ফ্যাক্টরি আপনার নিজের লোগো ও প্যাকেজিংয়ে পণ্য দিতে পারে। এর জন্য সাধারণত বেশি পরিমাণে অর্ডার করতে হয়; শর্ত সাপ্লায়ারের সাথে আলোচনা করুন।
  • ছোট কার্ড বা স্টিকার: পেজের নাম, যোগাযোগ নম্বর ও ব্যবহারের টিপস দেওয়া ছোট কার্ড দিলে কাস্টমার আবার অর্ডার করতে সহজে খুঁজে পান।
  • ডেলিভারি প্যাকিং: স্ক্রিন প্রটেক্টর ও কাঁচের পণ্য শক্ত খামে বা বক্সে পাঠান, যাতে ভেঙে না যায়।

দাম ও লাভের হিসাব: সাধারণ নিয়ম

এক্সেসরিজের দাম সাধারণত কম, তাই কুরিয়ার চার্জ ও রিটার্ন খরচ লাভের বড় অংশ খেয়ে ফেলতে পারে। এজন্য প্রতিটি পণ্যের পূর্ণ খরচ ধরে দাম ঠিক করা জরুরি।

  1. পণ্যের ক্রয়মূল্য: সাপ্লায়ারের দাম, সাথে আপনার কাছে আনার খরচ।
  2. প্যাকেজিং: বক্স, পলিব্যাগ, কার্ড ও স্টিকারের খরচ।
  3. কুরিয়ার ও COD চার্জ: কাস্টমার কতটা দেবেন আর আপনি কতটা বহন করবেন।
  4. রিটার্ন ও ক্ষতি: কিছু অর্ডার ফেরত আসবে বা ত্রুটিপূর্ণ হবে, সেটার খরচ আগেই হিসাবে রাখুন।
  5. মার্কেটিং খরচ: Facebook বিজ্ঞাপনে প্রতিটি অর্ডারে গড়ে কত খরচ হচ্ছে।

কম দামের পণ্যে একটি করে বিক্রি না করে কম্বো বা বান্ডেল (যেমন কভার, স্ক্রিন প্রটেক্টর ও কেবল একসাথে) দিলে প্রতিটি অর্ডারের মোট মূল্য বাড়ে, অথচ কুরিয়ার খরচ একবারই লাগে। হিসাব সহজ করতে আমাদের ফ্রি ই-কমার্স প্রফিট ক্যালকুলেটর ও প্রোডাক্ট প্রাইসিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন।

কম পরিমাণে কেনা ও ড্রপশিপিং

এক্সেসরিজে কম পরিমাণে কেনা তুলনামূলক সহজ, আর কিছু সাপ্লায়ার ড্রপশিপিংও করেন। ড্রপশিপিংয়ে আপনি অর্ডার নেন, আর সাপ্লায়ার সরাসরি কাস্টমারের কাছে পণ্য পাঠান।

পদ্ধতিসুবিধাযা খেয়াল রাখবেন
কম পরিমাণে স্টকনিজে প্যাক করেন, মান নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে, দ্রুত ডেলিভারিঅল্প পুঁজি আটকে থাকে; ধীরে বিক্রি হওয়া মডেলের কভার জমে যেতে পারে
ড্রপশিপিংস্টক ছাড়াই শুরু, অনেক পণ্য একসাথে দেখানো যায়স্টক শেষ হওয়া, দেরিতে পাঠানো ও প্যাকিংয়ের মান সাপ্লায়ারের ওপর নির্ভর করে

ড্রপশিপিং শুরুর আগে সাপ্লায়ারের সাথে লিখিতভাবে ঠিক করুন: স্টক আপডেট কীভাবে জানাবেন, কত সময়ের মধ্যে পার্সেল পাঠাবেন, COD-এর টাকা কবে সেটেল হবে এবং রিটার্ন বা ত্রুটিপূর্ণ পণ্যের দায় কার। বিস্তারিত দেখুন আমাদের ড্রপশিপিং ও রিসেলার ব্যবসা গাইডে।

স্যাম্পল, মান যাচাই ও রিটার্ন

বড় অর্ডারের আগে সবসময় স্যাম্পল নিন, আর প্রতিটি নতুন লটে কয়েকটি পণ্য খুলে দেখুন। একই সাপ্লায়ারের দুই লটের মানও আলাদা হতে পারে।

  • কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর সংশ্লিষ্ট মডেলের ফোনে লাগিয়ে মাপ মিলিয়ে দেখুন।
  • কেবল দিয়ে কয়েকটি আলাদা ফোন চার্জ ও ডেটা ট্রান্সফার করে দেখুন।
  • ইয়ারবাড পেয়ার করে কল ও গান দুটোই চেক করুন।
  • ত্রুটিপূর্ণ পণ্য বদলে দেওয়ার বিষয়ে সাপ্লায়ারের নীতি লিখিত নিন।
  • নিজের পেজে রিটার্ন ও রিপ্লেসমেন্ট নীতি পরিষ্কার লিখুন, যাতে কাস্টমার আগে থেকেই জানেন।

কম দামের পণ্যে রিটার্ন হলে কুরিয়ার খরচ প্রায়ই পণ্যের দামের কাছাকাছি চলে যায়। তাই অর্ডার কনফার্ম করে পাঠানো এবং ভালো মানের পণ্য রাখা দুটোই লাভ রক্ষার উপায়।

EOMS BD কীভাবে সাহায্য করে

EOMS BD নিজে এক্সেসরিজ বিক্রি করে না এবং সাপ্লায়ারের দামও ঠিক করে না। আমরা আপনাকে সরাসরি সাপ্লায়ার ও ইমপোর্টারের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিই, সম্পূর্ণ ফ্রি।

মোবাইল এক্সেসরিজ ক্যাটাগরিতে আমাদের সরাসরি পরিচিত সাপ্লায়ার ও ইমপোর্টার আছেন। কোন পণ্য, আনুমানিক কত পিস চান জানালে আমরা ফ্রি কন্টাক্ট করিয়ে দিই। কম পরিমাণে কেনা ও ড্রপশিপিং (সাপ্লায়ার সরাসরি কাস্টমারকে পাঠান) সম্ভব। দাম ও শর্ত আপনি সরাসরি সাপ্লায়ারের সাথে ঠিক করবেন; স্যাম্পল ও মান নিজে যাচাই করে নেবেন। চাইলে অনলাইন শপ ওয়েবসাইটও বানিয়ে দিই, তবে সেটা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। WhatsApp: +880 1784-222255।

আমরা ১৫ বছর ধরে ই-কমার্সে কাজ করছি এবং বাংলাদেশে EOMS BD-এর অধীনে ১৫০+ ই-কমার্স সাইট চলছে। মোবাইল ফোনও বিক্রি করতে চাইলে দেখুন মোবাইল ফোন পাইকারি ও ইমপোর্টার গাইড। আমাদের বানানো কিছু সাইট ও কাস্টমারদের কথা দেখতে পারেন নিচের ভিডিওতে।

আমাদের কাজ ও কাস্টমারদের কথা — ভিডিওতে দেখুন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

মোবাইল এক্সেসরিজের অনলাইন ব্যবসা কি অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায়?

হ্যাঁ, এক্সেসরিজ ছোট ও হালকা পণ্য, আর অনেক সাপ্লায়ার কম পরিমাণে বিক্রি করেন। কিছু সাপ্লায়ার ড্রপশিপিংও করেন, তখন স্টক ছাড়াই শুরু করা যায়। তবে কুরিয়ার ও রিটার্ন খরচ ধরে দাম ঠিক না করলে লাভ থাকে না।

কোন এক্সেসরিজ দিয়ে শুরু করা ভালো?

সাধারণত যেসব পণ্য প্রায় সবার দরকার হয়, যেমন কেবল, কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর, সেগুলো দিয়ে শুরু করা সহজ। দুই-তিনটি ক্যাটাগরি নিয়ে শুরু করে দেখুন কোনটিতে অর্ডার বেশি আসে। এরপর সেই পণ্যে স্টক ও ভ্যারিয়েন্ট বাড়ান।

চার্জার বা পাওয়ার ব্যাংক নিরাপদ কি না কীভাবে বুঝব?

কয়েকটি স্যাম্পল নিয়ে দীর্ঘ সময় চার্জ দিয়ে দেখুন অস্বাভাবিক গরম হয় কি না। পণ্যের গায়ে ইনপুট, আউটপুট ও প্রস্তুতকারকের তথ্য আছে কি না দেখুন, আর অবিশ্বাস্য ক্যাপাসিটির দাবি সন্দেহের চোখে দেখুন। প্রযোজ্য মান ও অনুমোদন সংক্রান্ত বর্তমান নিয়ম যাচাই করে নিন।

ব্লুটুথ ইয়ারবাড বিক্রিতে কি BTRC অনুমোদন লাগে?

ওয়্যারলেস ডিভাইসের আমদানি ও বিক্রিতে সাধারণত BTRC-এর নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। আপনার সাপ্লায়ার বৈধভাবে আমদানি করেছেন কি না জেনে নিন। বর্তমান নিয়ম BTRC-এর অফিসিয়াল সূত্র থেকে যাচাই করুন।

নিজের ব্র্যান্ডের নামে এক্সেসরিজ বিক্রি করা যায়?

কিছু ইমপোর্টার বা ফ্যাক্টরি আপনার লোগো ও প্যাকেজিংয়ে পণ্য দিতে পারে, যাকে প্রাইভেট লেবেল বলা হয়। এর জন্য সাধারণত বেশি পরিমাণে অর্ডার করতে হয়, শর্ত সাপ্লায়ারের সাথে আলোচনা করুন। তবে অন্য কোনো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের নাম বা লোগো ব্যবহার করবেন না।

EOMS BD কি সাপ্লায়ার কন্টাক্টের জন্য টাকা নেয়?

না, সাপ্লায়ার কন্টাক্ট সহায়তা সম্পূর্ণ ফ্রি। EOMS BD পণ্য বিক্রি করে না এবং সাপ্লায়ারের দামও ঠিক করে না। দাম, শর্ত ও স্যাম্পল আপনি সরাসরি সাপ্লায়ারের সাথে যাচাই করবেন।

সরাসরি সাপ্লায়ার / ইমপোর্টারের কন্টাক্ট নিন — ফ্রি

কোন পণ্য, কত পরিমাণে চান জানান — আমাদের যাচাই করা সাপ্লায়ারের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেব।

  • সাপ্লায়ার কন্টাক্ট সহায়তা সম্পূর্ণ ফ্রি
  • কম পরিমাণ ও ড্রপশিপিংয়ের সুযোগ
  • চাইলে অনলাইন শপ ওয়েবসাইটও বানিয়ে দিই
  • +880 1784-222255

সাপ্লায়ার কন্টাক্ট চাই (ফ্রি)

সাবমিট করলে WhatsApp-এ সরাসরি কথা বলার অপশন পাবেন।